লখিমপুর কাণ্ডে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিমকোর্ট! তীব্র ভর্ৎসনা যোগী সরকারকে

লখিমপুর কাণ্ডে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিমকোর্ট! তীব্র ভর্ৎসনা যোগী সরকারকে
লখিমপুর কাণ্ডে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিমকোর্ট! তীব্র ভর্ৎসনা যোগী সরকারকে

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ লখিমপুর খেরির কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট দেশের শীর্ষ আদালত। এদিন শুনানি চলাকালীন ফের একবার সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল যোগী সরকার। এবার অবসরপ্রাপ্ত দুই বিচারপতির তত্ত্বাবধানে তদন্ত শেষ করার প্রস্তাব দিলেন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা। এখানেই শেষ নয়, তদন্তের তদারকির জন্য পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার অবসরপ্রাপ্ত দুই বিচারপতির নামও প্রস্তাব করেছেন তিনি।

এদিন শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রানামা বলেন, ‘অতিমাত্রায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চাই না। হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি তদন্তের গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখুন।’ পাশাপাশি এদিন লখিম পুর কাণ্ডের তদন্তের গতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা যেমন ভেবেছিলাম সেভাবে তদন্ত এগোচ্ছে না।’

এই মামলায় উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা বলেন যে, ‘আরও কয়েকজন সাক্ষীকে জেরা করা ছাড়া স্ট্যাটাস রিপোর্টে আর কিছুই নেই। আমরা ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম। এর মধ্যে ল্যাবের রিপোর্টও আসেনি। আশানুরূপভাবে তদন্তের গতি এগোয়নি।’ যোগী সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, দোষীকে বাঁচাতে একাধিক এফআইআরকে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সঠিক পথে তদন্ত এগোনোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে পরামর্শ হিসেবে বলা হয় যে, পাঞ্জাব, হরিয়ানা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত দুই বিচারপতি রাকেশকুমার জৈন এবং বিচারপতি রণজিৎ সিং তদন্তের দিকে নজর রাখতে পারেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের বিক্ষোভ চলাকালীন গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় চার কৃষকের। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। পুলিশ গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান প্রতিবাদীরা। চলে গণপিটুনিও। সেই হিংসাত্মক পরিস্থিতির মাঝে পড়ে প্রাণ হারান আরও ৪ জন। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির ছেলে আশিস মিশ্র মনু। অনেক টালবাহানার পর, বিভিন্ন মহল এবং বিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে ক্রমাগত চাপের কারণে পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।