প্রশাসন-পুলিসকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর

প্রশাসন-পুলিসকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর
file image

নির্বাচন কমিশনের কাছে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, “নবান্নে নির্বাচনী সেল খোলা হয়েছে। মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এই সেল চালানো যাবে না। ম্যাম-ম্যাম করা লোকেদের নবান্নে বসিয়ে ইলেকশন করা যাবে না। এই প্রশাসনের খোলনলচে পাল্টে ফেলতে হবে। না হলে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে না”।

শনিবার ডানকুনিতে বিজেপির ‘রথযাত্রা’ কর্মসূচির সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে এই মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগকে ‘সাধুবাদ’ জানিয়ে তিনি বললেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজ চলছে। প্রশাসন-পুলিসকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তৃণমূল মানে এনামূল, এই মডেলকে ব্যবহার করা হচ্ছে। স্বচ্ছভাবে ভোট করানোর উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। তবে না আঁচালে বিশ্বাস নেই, সতর্ক থাকতে হবে’।

বিজেপি-র পাল্টা কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূলও। স্রেফ মোবাইল অ্যাপ নয়, ভোটের প্রচারের এবার ‘দিদির দূত’ হয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। বস্তুত, শনিবারই ঘাটালে ‘দিদির দূত’ হয়ে হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুবাবুর কটাক্ষ, ‘দিদির দূত হয়ে ঘুরছে তোলাবাজ ভাইপো। দুয়ারে সরকার নয়, দুয়ারে সিবিআই’।

তৃণমূলের ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বাংলার গর্ব মমতার প্রসঙ্গেও তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার গর্ব হতে যাবেন? বাংলার গর্ব যদি কেউ হন, তিনি বিদ্যাসাগর হবেন, স্বামী বিবেকানন্দ হবেন। বাংলার গর্ব যদি কেউ হন, তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ হবেন। রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ থাকতে মমতাকে কেন বাংলার গর্ব হতে যাবেন’? সভায় উপস্থিত বিপুল জনস্রোতের উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “৭ তারিখে মোদীজি ব্রিগেডে আসছেন। সভা ভরাতে হবে। সোনার বাংলা গড়তে হবে। এ বার ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে।“

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.