“আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন”! মমতাকে পরামর্শ শুভেন্দুর

"আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন"! মমতাকে পরামর্শ শুভেন্দুর

শুক্রবারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে গরহাজির নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির একাধিক নেতার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে এদিন গরহাজির থাকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বলেন, “রাজ্যর প্রয়োজনে, রাজ্যবাসীর প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়েও পড়তে পারি”। এরপরেই এর পাল্টা জবাব দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, হটাৎ করেই বৈঠকের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি আগে থেকেই ঠিক থাকায় বৈঠকে পুরো উপস্থিত থাকতে পারবেন না। কিন্তু তাও সময় বের করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে জানান মমতা। এরপরেও তার গরহাজির নিয়ে সমালোচনা করার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তখনই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যর প্রয়োজনে, রাজ্যবাসীর প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়েও পড়তে পারি। কিন্তু এভাবে অপমান করবেন না।”

এর জবাবে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়ার দরকার নেই, আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন, তাহলেই হবে”। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর তাঁর আচরণ অতীব দুঃখজনক, লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

এদিকে, শুক্রবার কলাইকুন্ডার বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীও আমন্ত্রিত ছিলেন বলে জানান শুভেন্দু। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ক্ষতির পরিমাণ জানতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকেই ডেকেছিলেন। এতে রাজনীতির কিছু ছিল না বলে দাবি করেছেন এই বিরোধী দল নেতা। বরং মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবের আচরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চরম অবমাননাকর বলেই মত নন্দীগ্রামে বিধায়কের।

অন্যদিকে, গুজরাট কিংবা ওড়িশা দুর্যোগ পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে বৈঠকের সময় সেখানকার বিরোধী দলনেতাদের কেন ডাকা হয় না বলে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর জবাব,” উনি ঠিকমতো জানেন না। ওড়িশার যশ বৈঠকে সেখানকার বিরোধী দলনেতাকেও ডাকা হয়েছিল। উনি কোভিড পজিটিভ হওয়ায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি”।