করতাল বাজিয়ে কীর্তন গাইলেন শুভেন্দু অধিকারী

করতাল বাজিয়ে কীর্তন গাইলেন শুভেন্দু অধিকারী
করতাল বাজিয়ে কীর্তন গাইলেন শুভেন্দু অধিকারী

শনিবার সকালেই বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী কোলাঘাটে ইস্কন-এর মন্দিরে যান। সেখানে এক ভিন্ন মেজাজে দেখা যায় তাঁকে।

তিনি ইস্কন মন্দিরে প্রভুদের সঙ্গে বসে করতাল বাজান। এদিন শুভেন্দুর কপালে আঁকা ছিল তিলক। গলায় ছিল লাল গোলাপের মালা। পড়নে ছিল পাঞ্জাবি-পাজামা। এমনকি তাঁর গলায় শোনা গেল ‘হরে কৃষ্ণ’ গান। আজ যেন এক অন্য শুভেন্দুকে দেখল তাঁর অনুগামীরা। তবে আগেই শুভেন্দুবাবু টুইট করে শনিবারের জনসভা এবং ইস্কন মন্দিরে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর এদিন প্রথম তিনি হুগলির ডানকুনিতে সভা করেন । শনিবারের এই জনসভাকে ঘিরে সকালে থেকেই একটা টানটান আবহ তৈরি হয়েছিল। কোলাঘাটে ইস্কন-এর মন্দিরের পর তিনি যোগদেন হুগলির ডানকুনির জনসভায়। সেখানে দাঁড়িয়ে একের পর এক তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই বাংলায় পরিবর্তন আনার পক্ষে প্রতিটি জনসভা থেকে জোর সওয়াল করেছেন। এদিনও তার অন্যথা হল না।

বাংলার মেয়ে নন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফুফু, আর রোহিঙ্গাদের খালা’। ডানকুনিতে ‘রথযাত্রা’র সূচনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ ভাষাতেই আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী । দাবি করলেন, ‘এই প্রশাসনের খোলনলচে পাল্টে ফেলতে হবে’।এছাড়াও প্রশান্ত কিশোরকে জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ বিজেপি নেতার দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিনই পটনা ফিরে যেতে হবে তৃণমূলের ভোট কুশলীকে৷

এরপরই শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বিরোধীদের ফোনে আড়িপাতা হচ্ছে। থানাগুলি থেকে এবং রাজ্যস্তরে সিআইডি, এসপি-রা বিরোধী নেতাদের ফোনে আড়ি পাতে। প্রত্যেক জায়গায় পার্টির নেতাদের ফোনে আড়িপাতা হচ্ছে তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের কথায়। এটা বন্ধ করতে হবে। এদিনের মঞ্চ থেকে বিজেপি নেতার শ্লোগান, ‘দিদির দূত, তোলাবাজ ভাইপো ভূত’। পাশাপাশি এদিন তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করে ফেলারও হুঁশিয়ারি শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.