নিজের সন্তান এবং স্ত্রীকে অস্বীকার করার অভিযোগ! বহরমপুরে ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন শিক্ষক

নিজের সন্তান এবং স্ত্রীকে অস্বীকার করার অভিযোগ! বহরমপুরে ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন শিক্ষক
নিজের সন্তান এবং স্ত্রীকে অস্বীকার করার অভিযোগ! বহরমপুরে ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন শিক্ষক

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ নিজের দেড় বছরের শিশুপুত্র এবং স্ত্রীকে অস্বীকার করেছিলেন পেশায় শিক্ষক এক ব্যক্তি! আর সেই অপরাধেই সওই শিক্ষককে গণধোলাই দিল উত্তেজিত জনতা।

এই ঘটনাটা ঘটেছে বৃহস্পতিবার বহরমপুর থানার কালীতলা দিয়ার এলাকায়। শিক্ষকের নাম দীপক কুমার দাস। দীপক কুমারের দ্বিতীয় স্ত্রীর টুম্পা ঘোষের অভিযোগ, তাঁর স্বামী বাড়িতে ঢুকতে দেয় না। এদিন স্ত্রী ছোট ছেলেকে নিয়ে স্কুলের সামনে ধর্না দিলে, স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্কুলে ঢোকার আগে ওই শিক্ষককে ঘিরে ধরেন স্থানীয় মানুষজন। তাঁকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। এদিকে, এই মারধরের খবর পেয়ে, ঘটনাস্থলে বহরমপুর থানার পুলিশ এসে ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

জানা গিয়েছে, প্রায় আড়াই বছর আগে, তিন মাসের গর্ভবতী দ্বিতীয় স্ত্রী টুম্পাকে ডাক্তার দেখানোর নাম করে বাপের বাড়ি রেখে চলে আসেন শিক্ষক দীপক কুমার দাস, দীপকবাবুর প্রথম স্ত্রী আত্মহত্যা করার পরই সম্বন্ধ করে তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছিল। তাঁদের একটি পুত্র সন্তানও হয়। কিন্তু সেই সন্তানকে অস্বীকার করেন তিনি। শুধু তাই ন্য, স্ত্রী এবং ছেলেকে বাড়িও ঢুকতে দেন না। বাড়িতে ভাড়াটিয়া এক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ স্ত্রী টুম্পার।

দ্বিতীয় স্ত্রী স্ত্রী টুম্পা ঘোষ দাস বলেন, ‘সেই গর্ভবতী অবস্থায় বাপের বাড়িতে রেখে চলে আসার পর আমার সাথে আর কোনও যোগাযোগ করেনি। আমার ছেলে হলেও দেখতে আসেনি। আমি অনেকবার ফোন করেছি কিন্তু ফোন ধরে না। ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলাম কিন্তু আমাদের ঢুকতে দেয়নি। বাপের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছে। চরম আর্থিক দুরাবস্থার মধ্যে ছেলেকে মানুষ করছি। আমি তার বিচার চাই।’

অন্যদিকে, ওই শিক্ষক দীপক কুমার দাস তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারেননি। তিনি বলেন, নিশ্চয় কোনও কারণ ছিল, তার জন্য স্ত্রী ছেলেকে বাড়ি নিয়ে যাইনি। আইনি পথেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।