আতঙ্কের নাম করোনা! রিপোর্ট পজিটিভ শুনে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু তরুণীর!

আতঙ্কের নাম করোনা! রিপোর্ট পজিটিভ শুনে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু তরুণীর!
আতঙ্কের নাম করোনা! রিপোর্ট পজিটিভ শুনে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু তরুণীর! / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে মারণ করোনার প্রকোপ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত গোটা দেশ। প্রতিদিন আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। আতঙ্কের নয়া নাম করোনা। প্রত্যেক মানুষ প্রতিনিয়ত এই আতঙ্কে ভুগছেন। কোনও সামান্যতম শারীরিক সমস্যা হলেই, ভাবছেন, এই বুঝি করোনায় আক্রান্ত হলেন।

প্রতিদিন টিভির পর্দায় এবং সংবাদপত্রে হাসপাতালে বেডের আকাল, দেশব্যাপী অক্সিজেনের অভাব এবং তার জেরে রোগীর মৃত্যুর ঘটনার কথা প্রতিনিয়ত দেখতে এবং শুনতে শুনতে মানুষের মনে করোনাকে নিয়ে আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। আর এমন একটা পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্ত হলে, কী হবে, এই ভেবেই কাটছে এক একটা দিন।

এদিকে তেলেঙ্গানার মেদাক জেলার তুপরানের একটি মর্মান্তিক ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। নিজের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ শুনে, আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক তরুণীর। মৃত তরুণীর নাম শ্যামলা। তিনি পোতারাজুপল্লীর বাসিন্দা। তরুণীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই বছর তিরিশের শ্যামলা অসুস্থ ছিলেন। তাঁকে স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়েছিল। চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছিলেন যে, ওই তরুণী করোনা আক্রান্ত। সেই অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়, শেষপর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়। শ্যামলার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আর সেই রিপোর্ট জানার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

জানা গিয়েছে, পোতারাজুপল্লী পুরসভার শ্মশানেই কোভিড-এর সমস্ত নিয়ম মেনে, মৃত তরুণীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় ৷ তাঁর পরিবার সূত্রে এও জানা গিয়েছে যে, বছর তিনেক আগে তাঁর বিয়েও হয়েছিল। এরপর তাঁর ডিভোর্স হয়ে যায় এবং নিজের মা-বাবার সঙ্গেই থাকতেন তিনি। মেয়ের মৃত্যুতে স্বভাবতই শোকের ছায়া নেমে আসে শ্যামলার পরিবারে।

এদিকে দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। এদিন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৫২ জন। এই আক্রান্তের সংখ্যার বেশিরভাগই মহারাষ্ট্রের। উল্লেখ্য, জুলাই এবং আগস্ট মাসে মহারাষ্ট্রে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভবনারও ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৯৮ জন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.