গল্প হলেও সত্যি! মাত্র ১৬৩ টাকার খাবার কিনেই কোটিপতি হলেন এই মহিলা! কিন্তু কীভাবে?

গল্প হলেও সত্যি! মাত্র ১৬৩ টাকার খাবার কিনেই কোটিপতি হলেন এই মহিলা! কিন্তু কীভাবে?
গল্প হলেও সত্যি! মাত্র ১৬৩ টাকার খাবার কিনেই কোটিপতি হলেন এই মহিলা! কিন্তু কীভাবে?

রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবার অর্ডার দিলেন থাইল্যান্ডের এক মহিলা। খাবারের দাম মাত্র ৭০ ভাট বা ভারতীয় মুদ্রায় ১৬৩ টাকা। অথচ, সেই খাবার থেকেই তিনি এমনই এক দুষ্প্রাপ্য জিনিসের সন্ধান পেলেন, যা তাঁকে রাতারাতি কোটিপতি বানিয়ে দিয়েছে। সেই খাবারের মধ্যে থেকে তিনি পেলেন এমন একটি মুক্তো, যার দাম প্রায় কয়েক কোটি! এ যেন ঠিক গল্প হলেও সত্যি!

ঘটনাটি ঘটেছে, থাইল্যান্ডের সাতুন প্রদেশে। সেখানের এক রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়ার জন্য সামুদ্রিক শামুক কিনেছিলেন কোদচাকর্ন তান্তিইউওয়াটকুল নামের ওই মহিলা। যার দাম মাত্র ৭০ ভাট। এরপর বাড়ি এসে সেটিকে টুকরো করার পরই কমলা রঙের একটি পাথর জাতীয় জিনিস নজরে আসে তাঁর। ভালোভাবে লক্ষ্য করতেই তিনি দেখেন, সেটি কোনও যে সে পাথর নয়। বরং মহার্ঘ্য মেলো পার্ল। কমলা রঙের মুক্তোটির ব্যাস ১.৫ সেন্টিমিটার। ওজন ৬ গ্রাম। যার আন্তর্জাতিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

ঘটনাটির কথা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় চারিদিকে। যদিও প্রথমে এই ঘটনার কথা চেপে গিয়েছিলেন কোদচাকর্ন। তবে পরে বাবা নিওয়াতের সঙ্গে পরামর্শ করে এটিকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই, প্রাপ্ত অর্থ কোদচাকর্নের মায়ের চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা। মহিলার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য এই মুহূর্তে তাঁর প্রায় ভারতীয় মুদ্রায় ২৩.৩৪ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। তাই তিনি ঠিক করেছেন, মায়ের চিকিৎসার জন্যই ওই মুক্তোটি বিক্রি করবেন। আপাতত, তিনি অপেক্ষায় রয়েছেন কেউ যদি ওই ‘মেলো পার্ল’টি কিনে নেন।

প্রসঙ্গত, ‘মেলাে পার্ল’ গুলি সাধারণত মায়ানমারের উপকূলে দক্ষিণ চীন সাগর এবং আন্দামান সাগরে পাওয়া যায়। ‘ভলুটিডে’ নামক একপ্রকার শিকারী সামুদ্রিক শামুকের মাধ্যমে সেগুলির উৎপাদন হয়। এই মুক্তোগুলি কমলা থেকে গাঢ় বাদামি বর্ণের হতে পারে। তবে সবচেয়ে কমলা রঙের মুক্তোগুলিই সবচেয়ে মহার্ঘ্য।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.