অভিমুখ পরিবর্তনের আর সম্ভাবনা নেই! পারাদ্বীপ-সাগরের মাঝেই হবে যশের ল্যান্ডফল

অভিমুখ পরিবর্তনের আর সম্ভাবনা নেই! পারাদ্বীপ-সাগরের মাঝেই হবে যশের ল্যান্ডফল
অভিমুখ পরিবর্তনের আর সম্ভাবনা নেই! পারাদ্বীপ-সাগরের মাঝেই হবে যশের ল্যান্ডফল

নিজের শক্তি বাড়িয়ে ক্রমশই বাংলার দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় যশ। আপাতত দীঘা থেকে ৬৫০ কিমি দূরে শক্তি বাড়াচ্ছে এই ঘূর্ণিঝড়। আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ পরিবর্তন করার আর কোনও সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ বাংলা ও ওড়িশাতে দাপট দেখাবে যশ।

ইতিমধ্যেই একাধিক সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কোন কোন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে সেই এলাকা চিহ্নিত করে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা। ২৪ তারিখ এই ঝড় সাইক্লোনে পরিণত হবে। ২৫ তারিখ তা আরও তীব্র রূপ নেবে। এরপর ২৬ তারিখ যাবে আরো উত্তর উত্তর পশ্চিমের দিকে যাবে এই ঝড়।

হাওয়া ভবন জানিয়েছে, ২৪ তারিখ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঝড় শুরু হবে। তখন ঝড়ের তীব্রতা হবে ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। ২৫ তারিখ থেকে এর তীব্রতা বেড়ে হবে ৫০-৬০ কিলোমিটার। ২৬ মে দুপুর থেকে ৯০-১১০ কিলোমিটার বেগে ঝড় আছড়ে পড়তে পারে। ওই দিন সন্ধ্যায় ১৫৫-১৬৫ বেগে ঝড় বইতে পারে।

এছাড়াও ২৪ থেকে ২৬মে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বাংলাদেশ কোস্টাল এরিয়ায় এর প্রভাব পড়বে। এই সময় খুব উত্তাল থাকবে সমুদ্র। ২৩ তারিখ থেকে থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি যারা গভীর সমুদ্রে রয়েছেন তাঁদের ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

বিশেষ সতর্কতা হিসেবে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৫ তারিখ উপকূল বর্তী এলাকা দুই মেদিনীপুর,হাওরা,হুগলি, দুই ২৪ পরগনা হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে।

২৬ তারিখ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ভারী থেকে অতিভারি বৃষ্টি হবে ঝাড়গ্রাম, হাওড়া হুগলি মালদা বর্ধমান বীরভূম কলকাতা, দুই মেদিনীপুরে, দুই ২৪ পরগনায়। ২৭ তারিখ বৃষ্টির পরিমাণ আরো বাড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে অর্থাৎ বাঁকুড়া,বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান প্রভৃতি জেলায়।

২৬ তারিখ সকালে পশ্চিমবঙ্গ ওড়িশা উপকূলে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ। ২৬ তারিখ পারাদিপ-সাগর আইল্যান্ড দিয়ে সন্ধ্যে বেলা বয়ে যাবে। তবে মূলত কোন জায়গায় ল্যান্ডফল হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি। যত সময় গড়াবে তা আরো স্পষ্ট হবে।