অভিনবত্ব! আধার কার্ডের নকশা অবলম্বনে বাঙালি বিয়ের মেনু কার্ড! হতবাক অতিথিরা! ভাইরাল ছবি

অভিনবত্ব! আধার কার্ডের নকশা অবলম্বনে বাঙালি বিয়ের মেনু কার্ড! হতবাক অতিথিরা! ভাইরাল ছবি
অভিনবত্ব! আধার কার্ডের নকশা অবলম্বনে বাঙালি বিয়ের মেনু কার্ড! হতবাক অতিথিরা! ভাইরাল ছবি / ছবি সৌজন্যে- সৌরভ বসাক ও গোগল সাহা

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ বিয়ে বলে কথা, সব কিছু একদম যাকে বলে পারফেক্ট হওয়া চাই-ই চাই। বিয়ের সাজ থেকে শুরু করে পোশাক, সাজগোজ, ভেনু-মেনু সব কিছুই। আজকাল তো আবার বিয়ের সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্ব বাড়ছে প্রি ওয়েডিং শুট-এরও। আরও নানা বিষয় জড়িয়ে রয়েছে এই বিয়ের সঙ্গে।

তবে বিয়ের সব কিছুর মধ্যেই যে বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, বিয়ের মেনু। প্রত্যেক বিয়ের পাত্র এবং পাত্রী পক্ষের একটাই দাবি, মেনু যেন এমন হয় যাতে, আগত অতিথিরা খেয়ে একবাক্যে বলেন, ‘দারুণ’। আর মেনু সুপারহিট করার সঙ্গে সঙ্গে মেনু কার্ডেও যদি অভিনবত্ব আনা যায়, তাহলে তো কথাই নেই। আর তেমনটাই করে দেখালেন এক বাঙালি দম্পতি।

ভাবছেন তো, কি এমন অভিনবত্ব? বাঙালি এই বিয়ের মেনু কার্ড তৈরি হয়েছে আধার কার্ডের নকশা অবলম্বনে। যা দেখে অতিথিরা তো অবশ্যই, চমকে গিয়েছেন নেটিজেনরাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মেনু কার্ডের ছবি পোস্ট হতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। অতিথিদেরই একজন এই মেনু কার্ডের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই তা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। এই মেনু কার্ডই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে রয়েছে।

ছবি সৌজন্যে- সৌরভ বসাক

এদিকে যাঁদের বিয়ের মেনু কার্ড নিয়ে এতো হইচই, সেই সদ্য বিবাহিত দম্পতি গোগল সাহা এবং সুবর্ণা দাস জানিয়েছেন যে, তাঁদের বিয়ের মেনু কার্ড নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এতো চর্চা এবং তা ব্যাপক হারে শেয়ার করা দেখে, তাঁরাও স্বভাবতই বেজায় খুশি।

এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আলোকপাত করা যাক। প্রশ্ন হল, এমন অভিনব ভাবনা কীভাবে এল ওই দম্পতির মাথায়? বা কোথা থেকে পেলেন এমন ভাবনা? পাত্র গোগল সাহা জানিয়েছেন, এই ভাবনা আসলে তাঁর স্ত্রী সুবর্ণার। তিনি এ প্রসঙ্গে এও বলেছেন যে, তাঁরা উভয়েই ডিজিটাল ইন্ডিয়াকে সমর্থন করেন। তাই এর থেকে ভালো উপায় আর কিছুই হতে পারে না বলে তাঁদের মত।

এখানেই শেষ নয়, পাত্র গোগল সাহা এও বলেছেন যে, প্রথমে বিয়েতে আমন্ত্রিত অতিথিরা মেনু কার্ড দেখে এক মুহূর্তের জন্য একেবারে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ তো এও ভেবেছিলেন যে, আজকাল মনে হয়, বিয়ে বাড়িতে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক। অন্যদিকে কেউ কেউ আবার তাঁকে এও জিজ্ঞাসা করছিলেন যে, ডিনার টেবিলে তিনি আধার কার্ড ফেলে এসেছেন কিনা! পুরো বিষয়টি খুবই উপভোগ করেছেন গোগল ও সুবর্ণা।

ছবি সৌজন্যে- সৌরভ বসাক

উল্লেখ্য, গোগল সাহা এবং সুবর্ণা দাস, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁরা উভয়ই কলকাতার রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা। সুবর্ণা পেশায় স্বাস্থ্যকর্মী এবং গোগল সাহা পেশায় একজন বিক্রয় ও বিপণন কর্মচারী।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.