ভোটের আগে এসেছিল BJP-তে যোগদানের প্রস্তাব, পেতেন পদ্মশ্রীও! বিস্ফোরক মনোরঞ্জন ব্যাপারী

ভোটের আগে এসেছিল BJP-তে যোগদানের প্রস্তাব, পেতেন পদ্মশ্রীও! বিস্ফোরক মনোরঞ্জন ব্যাপারী
ভোটের আগে এসেছিল BJP-তে যোগদানের প্রস্তাব, পেতেন পদ্মশ্রীও! বিস্ফোরক মনোরঞ্জন ব্যাপারী

চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহু নেতাই ঘাসফুল ছেড়ে গিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরে। যদিও ভোটে তৃণমূলের কাছে গো-হারা হেরেছে বিজেপি। তারপর থেকেই চলছে দলবদলের পালা। বিজেপি থেকে বহু নেতা-কর্মীর ‘ঘর-ওয়াপসি’ হয়েছে তৃণমূলে৷ সেই তালিকায় রয়েছেন মুকুল রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতারা। এবার এই দলবদল প্রসঙ্গেই ফেসবুকে বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী।

মনোরঞ্জনবাবুর দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকার পদ্মশ্রীর প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে বিজেপি-তে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। যদিও আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। শুক্রবার নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে তৃণমূল বিধায়ক লেখেন, ‘গত বছর তখনো বাংলার বিধান সভার ঘোষনা হয়নি আমাকে নাগপুরের বিশ্বাস বাবু ফোন করে বলেছিলেন অনেক দিন ধরে লিখছেন, অনেক পুরস্কারও পেয়েছেন। তবে এবার আপনার একটা কেন্দ্রীয় সরকারের পুরস্কার পাওয়া দরকার। আপনি যদি বিজেপিতে যোগ দেন তাহলে আপনাকে পদ্মশ্রী পাইয়ে দিতে পারি।’

এরপরই তিনি আরও লেখেন, ‘ভাগ্যিস তার কথায় সেদিন কর্নপাত করিনি। যে পুরস্কার কংঙ্গনা রানাবত পায় আর যাইহোক সে পুরস্কার আমার সম্মান বৃদ্ধি করতো না।’ অর্থাৎ তিনি যে বিজেপি নেতার কথায় কর্ণপাত না করে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন তা হাড়ে হাড়ে বুঝেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

উল্লেখ্য, চলতি বিধানসভা নির্বাচনে বলাগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে জিতে তৃণমূল বিধায়ক হয়েছেন মনোরঞ্জন ব্যাপারী। বিধায়ক হওয়ার আগে রিকশা চালাতেন তিনি। ভোটে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যাওয়ার সময়ও তিনি রিকশা চালিয়েই তা জমা দিতে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন লেখকও। দলিত লেখক হিসাবে পরিচিতি তাঁর৷ ফলে বিধায়কের মতো দায়িত্ব পেয়েও তাঁর পা এখনও মাটিতেই। গাড়ি-বাড়ি নয়, কিনেছেন একটি টোটো। সেই টোটোতে চেপেই তিনি ছুটে বেড়াচ্ছেন গোটা বিধানসভা এলাকা। এসবের মধ্যেই বিজেপিকে নিয়ে তাঁর এই মারাত্মক অভিযোগ রাজনৈতিক মহলে শোরগোল তুলে দিল।