মোদির ভাষণের পরেই তৃণমূলের কটাক্ষের সুরে ভরল টুইটার

মোদির ভাষণের পরেই তৃণমূলের কটাক্ষের সুরে ভরল টুইটার
মোদির ভাষণের পরেই তৃণমূলের কটাক্ষের সুরে ভরল টুইটার

জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে এখনই লক ডাউন প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর ভাষণের পরেই তাঁকে কটাক্ষ করে টুইট করলেন নির্বাচনী প্রকৌশলী প্রশান্ত কিশোর ও তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।

জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে নমো বলেন, “আমি দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ করছি যে, তাঁরা যেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। এই মুহূর্তে লকডাউন বলবৎ করার কোনও প্রশ্ন নেই। এই মুহূর্তে দেশকে লকডাউনের থেকে বাঁচাতে হবে। লকডাউন ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। করোনা মোকাবিলায় লকডাউন সর্বশেষ অস্ত্র। ছোট বন্ধুদের কাছে আমার আবেদন, তাঁরা যেন এমন পরিস্থিতি বাড়িতে তৈরি করেন, যাতে অপ্রয়োজনে বাড়ির বড়রাও বাইরে বেরোতে না পারেন।” অন্যদিকে, দেশে অক্সিজেনের যোগান বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এরপরই টুইট শুরু হয় তৃণমূলের তরফে। প্রশান্ত কিশোর টুইট করে লেখেন, “পরিস্থিতি বোঝার অক্ষমতা ঢাকতে সরকার সমস্যা উপেক্ষা করছে।” পাশাপাশি নিজের টুইটে চারটি বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর করোনা মোকাবিলা করার ভাষণকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।

পিকে লেখেন, “মোদী সরকারে যেভাবে সংকটের মোকাবিলা করে.প্রথমত, পরিস্থিতি বোঝার অক্ষমতা ও দূরদর্শিতা লুকিয়ে রাখতে সমস্যা উপেক্ষা করে যাও। দ্বিতীয়ত, আচমকা সবকিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ধাপ্পাবাজি ও গর্জন-তর্জন করে দাবি করে যে তুমি জিতে গিয়েছো। তৃতীয়ত, সমস্যা যদি আসতেই থাকে তবে তা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দাও। চতুর্থত, পরিস্থিতির উন্নতি হলে কৃতিত্ব নিতে নিজের ভক্তদের সঙ্গে দল বেঁধে ফিরে আসো।”

অন্যদিকে, ডেরেক ও’ব্রায়েন টুইট করে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন। তার আক্রমন, মুখ্যমন্ত্রী যে চিঠি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে তার জবাব এখনো মিলল না। টুইটারে তিনি লেখেন, “কথা, কথা আর কথা। আপনি শুধু ক্ষমতা ভোগ করতে চান আর তারপর কথা দিয়ে মানুষকে বোকা বানান। ভ্যাকসিন কোথায়”? এরপরেই প্রধানমন্ত্রীকে লেখা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠির ছবি টুইটে যোগ করে ডেরেক উল্লেখ করেন, “২০২১ ফ্রেরুয়ারি আপনাকে এই চিঠিটি লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই চিঠি লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও জবাব আসেনি”।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.