জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পদ্মফুলের প্রয়োজন নেই! শুভেন্দুকে আক্রমণ শাসক দলের

জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পদ্মফুলের প্রয়োজন নেই! শুভেন্দুকে আক্রমণ শাসক দলের
জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পদ্মফুলের প্রয়োজন নেই! শুভেন্দুকে আক্রমণ শাসক দলের

বিএসএফের পরিসর বৃদ্ধি নিয়ে প্রবল বিতর্ক চলছে রাজ্যে। বাংলার সীমান্ত এলাকায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত এলাকায় গ্রেফতারি, তল্লাশি কিংবা বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বিএসএফ জওয়ানদের মনোবল বাড়াতে নিউটাউনের বিএসএফ ভবনে শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির বিধায়করা।পদ্ম ফুল ও মিষ্টি তুলে দিলো অগ্নিমিত্রা পল এবং শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেই বিজেপিকে পাল্টা আক্রমণ করে তৃণমূল।

এদিন তৃণমূল টুইট করে একহাত নেয় বিজেপি নেতৃত্বকে। টুইট করে রাজ্যের শাসক দল লেখে, “দেশের বিএসএফ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পদ্মফুল ব্যবহার করার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। রাজনৈতিক ভাষণ দিয়েও কুর্নিশ জানানোর দরকার হয় না। বিরোধী দলনেতা, এটা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। তাঁদের বিজেপি সিকিউরিটি ফোর্স হিসেবে গুলিয়ে ফেলবেন না।”

এদিকে, তার আগে টুইট করে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে লেখেন, “আমাদের প্রত‍্যেকের মনে রাখা উচিৎ বিএসএফ দেশের অতন্দ্র প্রহরী, দিন রাত্রি জেগে ওনারা দেশের সীমান্ত রক্ষা করছেন বলেই দেশের অভ‍্যন্তরে দেশবাসী সুরক্ষিত এবং নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারছেন। ভারত সরকারের ঘোষনা মতো বিএসএফ -এর ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল সরকারের বিধায়করা বিএসএফ -কে কালিমালিপ্ত করেছেন, কদর্য ভাষায় বিধানসভায় আক্রমণ করেছেন। বিএসএফ -এর উপর ভাষা সন্ত্রাসের প্রতিবাদে নিউটাউনে বিএসএফ -এর ছাউনিতে বিএসএফ জওয়ানদের পদ্ম ফুল দিয়ে এবং মিষ্টি খাইয়ে বিজেপি পরিষদীয় দলের সাথে সংবর্ধনা ও ধন‍্যবাদ জ্ঞাপন করতে উপস্থিত হয়েছিলাম।”