অক্সিজেনের সংকট মেটাতে, দ্রুত পরিবহনে কেন্দ্রীয় সরকার দিল এই ৭ নির্দেশিকা! দেখে নিন একনজরে

অক্সিজেনের সংকট মেটাতে, দ্রুত পরিবহনে কেন্দ্রীয় সরকার দিল এই ৭ নির্দেশিকা! দেখে নিন একনজরে
অক্সিজেনের সংকট মেটাতে, দ্রুত পরিবহনে কেন্দ্রীয় সরকার দিল এই ৭ নির্দেশিকা! দেখে নিন একনজরে / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে গোটা দেশে। দেশজুড়ে তাণ্ডব করছে মারণ করোনা। প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন এই মারণ ভাইরাসে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশব্যাপী সুস্থতার হারও নিম্নমুখী।

হাসপাতালে বেডের অভাব। দেশজুড়ে ব্যাপক পরিমাণে অক্সিজেনের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর খবর সামনে আসছে। এই অবস্থায় কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছে দিল্লি হাইকোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চ এও মন্তব্য করেছে যে, প্রয়োজনে ভিক্ষা, ধার করে হলেও যেন কেন্দ্র অক্সিজেন জোগাড় করে। এটা জাতীয় বিপর্যয় এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু মানুষের জীবন। এরপরই দেশে চিকিৎসাজনিত কারণে অক্সিজেন দ্রুত, মসৃণ এবং সঠিক সময়ে পরিবহনের লক্ষ্যে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সাত-সাতটি নির্দেশিকা জারি করা হল। এবার একনজরে দেখে নেওয়া যাক কী সেই সাত নির্দেশিকা

প্রথমত- চিকিৎসাজনিত কারণে ব্যবহৃত অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রে রাজ্য এবং পরিবহন সংস্থার মধ্যে কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে না। অক্সিজেন পরিবাহী যানবাহনগুলিকে বিনাখরচায় আন্তঃরাষ্ট্রীয় যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

দ্বিতীয়ত- রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের জোগান দেওয়ার জন্য অক্সিজেন প্রস্তুতকারক সংস্থা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে না বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে।

তৃতীয়ত- শহরের মধ্যে অক্সিজেন বহনকারী যানবাহনগুলি চলাচলের ক্ষেত্রে কোনও সময়সীমা থাকবে না। এর পাশাপাশি কোনওরকম বাধা ছাড়াই আন্তঃনগর অক্সিজেন সরবরাহ সক্ষম করতে হবে।

চতুর্থত- কোনও কর্তৃপক্ষ, কোনও জেলা বা অঞ্চল বিশেষে নির্দিষ্ট অক্সিজেন সরবরাহের জন্য অক্সিজেন বহনকারী যানবাহন সংযুক্ত করবে না।

পঞ্চম- বানিজ্যিক কারণে ব্যবহার করা অক্সিজেন সরবরাহ ২২ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে, পরবর্তী নির্দেশিকা না পাওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর হবে। যদিও ৯ টি শিল্প এর আওতায় পরবে না বলেও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।

ষষ্ঠ- রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কঠোরভাবে EG- 11 দ্বারা প্রস্তুত অক্সিজেন সময়-সময়ে সংশোধিত করতে হবে। এমনটাও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।

সপ্তম- কেন্দ্রের এই নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে যে, জেলাশাসক, ডেপুটি কমিশনার ও পুলিশের এসপি, পুলিশের ডিসি ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকবে এই নির্দেশিকা কার্যকর করার জন্য।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.