খামখেয়ালী আবহাওয়া, উধাও ঠাণ্ডার আমেজ! রাজ্যের এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা

খামখেয়ালী আবহাওয়া, উধাও ঠাণ্ডার আমেজ! রাজ্যের এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা
খামখেয়ালী আবহাওয়া, উধাও ঠাণ্ডার আমেজ! রাজ্যের এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্ক: কালীপুজো থেকেই শীত শীত ভাব উপভোগ করেছিল বাংলার মানুষ। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই কমেছিল। ঠাণ্ডা উত্তুরে হাওয়ায় পারদ নেমেছিল হু হু করে৷ শুরুতে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে বলাও হয় যে, এ বছর সময়ের আগেই প্রবেশ করবে শীত৷ কিন্তু সেই ভবিষ্যৎবাণী মিলল না। বাধ সাধল নিম্নচাপ। তাই আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় আপাতত গায়েব ঠান্ডার আমেজ৷

তবে, আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে এও জানানো হয়েছে যে, নিম্নচাপ কেটে গেলেই ফের রাজ্যে বাড়বে শীতের আমেজ। হাওয়া অফিস বলছে নিম্নচাপের অক্ষরেখা সরে গেলেই, কনকনে ঠাণ্ডা অনুভব করবে রাজ্যবাসী৷ অগ্রহায়ণ মাসের শুরুতে শীতের দেখা মিললেও এই সপ্তাহের শুরুতে শীতের কোনো উপস্থিতি নেই৷ যদিও রাতের দিকে এবং ভোরের দিকে হালকা ঠাণ্ডার আমেজ থাকছে। পাশাপাশি ভোরের দিকে থাকছে কুয়াশাও।

আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জেরে রোগের প্রকোপও বাড়ছে রাজ্যে। যদিও হাওয়া অফিসের তরফে জানান হয়েছে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে শীতের আমেজ আবারও ফিরবে৷ তবে কনকনে ঠাণ্ডার পূর্বাভাস না থাকলেও, তাপমাত্রা কমবে অনেকটাই৷

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গেও একই পরিস্থিতি৷ এদিকে, দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বৃষ্টির হাত ধরেই রাজ্যে শীতের প্রবেশ ঘটতে পারে। হাওয়া অফিসের খবর অনুযায়ী, হালকা বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পং জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। আর দক্ষিনবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়াতে হতে পারে হালকা বৃষ্টি।

উল্লেখ্য, নিম্নচাপের সম্ভাবনা তৈরি হতেই প্রচুর পরিমাণে গরম বাতাস ঢুকে পড়ছে রাজ্যে। এর জেরেই স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি, দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি৷ বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৫৮ শতাংশ।