অনুমতি মিললেই, ৩ বছরের উর্ধ্বে মিলবে সূচ-বিহীন ভ্যাকসিন! শীঘ্রই শুরু হবে ট্রায়াল

অনুমতি মিললেই, ৩ বছরের উর্ধ্বে মিলবে সূচ-বিহীন ভ্যাকসিন! শীঘ্রই শুরু হবে ট্রায়াল
অনুমতি মিললেই, ৩ বছরের উর্ধ্বে মিলবে সূচ-বিহীন ভ্যাকসিন! শীঘ্রই শুরু হবে ট্রায়াল / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও এক অস্ত্র এসে গেছে ভারতের হাতে। জাইডাস ক্যাডিলার ভ্যাকসিনক সদ্য ভারতে আপদকালীন ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। জাইকোভ-ডি-ই প্রথম ডিএনএ ভ্যাকসিন যা ছাড়পত্র পেল ভারতে।

দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি ১২ বছরের ওপরের শিশুদের জন্যও এই ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রক। শীঘ্রই সেই টিকাকরণ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে, এবার ১২ বছরের থেকেও কম বয়সীদের এই টিকা দেওয়ার কথা ভাবছে সংস্থা। অমুমতি মিললেই, ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীদের জন্য এই টিকার ট্রায়াল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর শারভিল প্যাটেল। তিনি জানিয়েছেন, ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (DCGI)-এর ছাড়পত্র পেলেই শুরু হয়ে যাবে ৩-১২ বছর বয়সিদের জন্য টিকার ট্রায়াল। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংস্থার কর্ণধার জানিয়েছেন, টিকাকরণের ক্ষেত্রে আগে প্রাপ্তবয়স্কদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরে শিশুদের কথা ভাবা হয়েছে। সেই জন্যই এবার ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীদের জন্য টিকার কথা ভাবা হচ্ছে, কারণ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এই টিকা সফল হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে, বিশ্বের মোট ৫০টি দেশে এই টিকার ট্রায়াল চালানো হয়েছে। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সি ১৪০০ জনের ওপর টিকার ট্রায়াল চালানো হয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর শারভিল প্যাটেল আরও জানিয়েছেন যে, এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের ফল সামনে এসেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন। তাই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে এই ভ্যাকসিনের প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, ডেল্টার ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৬৬ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহের শুক্রবারই ভারতীয় ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ড থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই টিকার প্রয়গের উপর ছাড়পত্র মিলেছে জ়াইডাস ক্যাডিলার এই ভ্যাকসিনকে। এরপর শনিবারই সংস্থার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে,  সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অক্টোবরের মধ্যেই এক কোটি করোনা টিকা তৈরি করবে তারা। পাশাপাশি এটি বিশ্বের একমাত্র সূচ বিহীন ভ্যাকসিনও বটে। তিন ডোজ়ের এই টিকা আগামিদিনে ভারতের টিকাকরণ কর্মসূচিতে পথ দেখাতে পারে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞদের আশা, সূচ বিহীন এই টিকা আগামিদিনে দেশের টিকাকরণ কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আপাতত ১২ বছরের উর্ধ্বে শিশুদের শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করা যাবে বলে জানা গিয়েছে। ফলে প্রধানত ১২ উর্ধ্বদের জন্যই সূচ-বিহীন এই টিকা ব্যবহার করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।