বাংলা থেকে থাইল্যান্ড পাড়ি মা দুর্গা সহ ২৪টি গনেশ মূর্তি! অতিমারিতে দুর্গা বরণে তৈরি প্রবাসী

বাংলা থেকে থাইল্যান্ড পাড়ি মা দুর্গা সহ ২৪টি গনেশ মূর্তি! অতিমারিতে দুর্গা বরণে তৈরি প্রবাসী
বাংলা থেকে থাইল্যান্ড পাড়ি মা দুর্গা সহ ২৪টি গনেশ মূর্তি! অতিমারিতে দুর্গা বরণে তৈরি প্রবাসী

করোনা আবহের জন্যে বন্ধ দুর্গা পুজো, সেই পুরোনো আমেজ প্রায় নেই বললেই চলে। নেই রাত জেগে ঠাকুর দেখা বা একসাথে ভুরিভোজ। একাধিকবার বিদেশেও পাড়ি দিয়েছেন দেবী স্বয়ং কুমারটুলি থেকে। কিন্তু এবার সেই ব্যাবসাতেও ভাটা। এর মধ্যেও কিঞ্চিৎ খুশির আমেজ হাবড়া পৃথিবা গ্রাম পঞ্চায়েতের বানীপুর আমবাগান টালিরভাটা এলাকায়।

থাইল্যান্ডবাসির জন্যে মায়ের আগমন এবার জাহাজে। যাত্রা করাচ্ছেন হাবড়ার মৃৎশিল্পী পরিমল পাল। এখানেই শেষ নয় দুর্গা প্রতিমা পাশাপাশি চব্বিশটি গনেশ মূর্তিও পাড়ি দিচ্ছে সাগরপারে। পরিমল বাবুর উন্মাদনা ও ব্যাস্ততা দুই এখন চরম পর্যায়ে।

এই বরাত এবার অনেকটাই অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে। গলায় আনন্দের সুর নিয়ে তিনি জানান থাইল্যান্ডের বিষ্ণুমন্দিরে দুর্গাপ্রতিমা তাঁর হাত দিয়েই তৈরি হচ্ছে ২০১৩ সাল থেকে। অন্যবারের কথা অবশ্য আলাদা, করোনা অতিমারি না থাকলে তাঁকে নিজেই যেতে হত বিদেশে। নিজে হাতে গড়তেন মায়ের প্রতিমা। কাঠামোতে মাটি লাগতো তাঁর হাতেই। অবশ্য তা হাবড়াতেই বসেই সারছেন পরিমল বাবু। ১২ ফুট উচ্চতার দুর্গাপ্রতিমা আর সেই দেশে গড়া সম্ভব হচ্ছে না এবার।

মূর্তির আঁকার দিতে দিতে শিল্পীর বক্তব্য ধীরে ধীরে গনেশ পুজোর চল বাড়ছে থাইল্যান্ডে। এর মধ্যেও রয়েছে বিবিধ আঁকারের গনেশ মূর্তি । এক ফুট থেকে শুরু করে পাঁচ ফুট পর্যন্ত নানান উচ্চতার গণেশমূর্তি গড়ছেন তিনি, বরাতই এমন।

সব ঠিক থাকলে আগামী কিছুদিনের মধ্যে মায়ের আগমন হবে থাইল্যান্ডে। মুখ ঢেকেছে মাস্কে, হাতে ঘন ঘন স্যানিটাইজার। তাতে কি, আরাধনা কি আর বন্ধ থাকে? সুস্থ পৃথিবীর কামনা নিয়েই প্রবাসী বাঙালি তৈরি মায়ের বরণে।