করোনায় মৃত যুবক! এল না পরিবারের কেউ! শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করালেন দিল্লির এই পুলিশকর্মী

করোনায় মৃত যুবক! এল না পরিবারের কেউ! শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করালেন দিল্লির এই পুলিশকর্মী
করোনায় মৃত যুবক! এল না পরিবারের কেউ! শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করালেন দিল্লির এই পুলিশকর্মী

করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে কার্যত জেরবার গোটা দেশ। দিনের পর দিন চড়ছে করোনার গ্রাফ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের হারও। গত দুদিনে সারা দেশে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ৷ মারাও গিয়েছেন বহু মানুষ৷ দেশের এই কঠিন পরিস্থিতিতেও কিন্তু নিজেদের কাজ বন্ধ রাখেননি কোভিড-যোদ্ধারা। চিকিৎসক হন কি পুলিশ, নিজেদের কাজ নিষ্ঠা ভরে ঠান্ডা মাথায় সামলে যাচ্ছেন তাঁরা। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে এমনই এক কর্তব্যরত পুলিশের কাহিনী, যিনি পরিবার অরাজি থাকায়, নিজের চেষ্টায় এক করোনায় মৃত যুবকের শরীর দাহ করতে সাহায্য করলেন।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি করোনার প্রকোপে প্রাণ হারান উত্তর-পূর্ব দিল্লির গোকুলপুরীর বাসিন্দা সোনু (৩৫)। তবে সংক্রমণের আশঙ্কায় শ্মশানে যেতে নারাজ হয় পরিবার৷ অগত্যা, উপায় না দেখে এগিয়ে আসেন দিল্লি পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক সুশীল। পুলিশি ময়নাতদন্তের পর, শেষকৃত্যের জন্য দেহটি শ্মশানে নিয়ে যেতে রাজি হন তিনি। একটি প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে তাতে করেই দেহটি শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করেন দিল্লির ওই পুলিশকর্মীটি৷

গোটা ঘটনাটির বিবরণ দিয়ে নেটমাধ্যমে তা শেয়ার করেছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক সুশীলকে ‘হিরো’ সম্মানেও ভূষিত করা হয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে যেখানে নিজের পরিবারই সংক্রমণের ভয়ে ভীত, সেখানে করোনায় মৃত যুবকটির শেষকৃত্যে সাহায্য করার জন্য পুলিশটির ভূয়সী প্রশংসাও করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দিল্লির হাসপাতালগুলি অক্সিজেন সরবরাহ করার জন্য এসওএস প্রেরণ করেছে। অনেকেই দাবী করছেন সেই সরবরাহও কেবল কয়েক ঘন্টা স্থায়ী হতে পারে। কোভিড রোগীদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় রাজধানী তথা দেশজুড় স্বাস্থ্য-সেবা পরিকাঠামো বর্তমানে মারাত্মক চাপে রয়েছে। অবস্থার উন্নতি যে কবে হবে, তা কেই বা বলতে পারে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.