মুহূর্তেই ধ্বংস শত্রুপক্ষ! দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রণতরী বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হাতে আসছে ভারতের

মুহূর্তেই ধ্বংস শত্রুপক্ষ! দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রণতরী বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হাতে আসছে ভারতের
মুহূর্তেই ধ্বংস শত্রুপক্ষ! দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রণতরী বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হাতে আসছে ভারতের

বাড়তে চলেছে চিন ও পাকিস্তানের উদ্বেগ। কারণ, জলযুদ্ধে নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রণতরী বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হারপুন মিসাইল কিনতে চলেছে ভারত। সম্প্রতি এই ক্ষেপণাস্ত্রের বিক্রির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিল আমেরিকা। যা কিনতে ভারতকে খরচ করতে হবে ৮২ মিলিয়ন ডলার।

সোমবারই এই হারপুন মিসাইল বিক্রির প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করে পেন্টাগন। পেন্টাগনের তরফ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ভারত হারপুন মিসাইল কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল। মিসাইলটির রক্ষনাবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেওয়ারও প্রস্তাব এসেছিল। এ ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছে মার্কিন সরকার। এই মিসাইল বিক্রির ফলে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও দক্ষিণ চিন সাগরাঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি ও অর্থনৈতিক প্রগতি স্থাপন করতে ভারতের হাত আরও শক্ত করবে।’ অর্থাৎ বিবৃতি থেকে এ কথা স্পষ্ট যে এবার চাইলেই মিসাইল চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারবে ভারত।

জানা গিয়েছে, এই মিসাইলের নির্মাণ ক্ষেত্রে মূল কান্ট্রাক্টর বা নির্মাণকারী সংস্থা হবে বোয়িং ও সেন্ট লুইস। তা পি-৮১ যুদ্ধবিমানে যুক্ত করা হবে। ১৯৭৭ সালে এই মিসাইল তৈরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তা যে কোনও আবহাওয়ায়, দুনিয়ার যেকোনও প্রান্তে কাজ করতে পারে। সমুদ্রের নীচে উড়ে এটি মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে শত্রুপক্ষকে। দূরপাল্লার সাবমেরিন যুদ্ধ, আকাশযুদ্ধ ছাড়াও নজরদারি, গোয়েন্দা ও প্রত্যাঘাতজনিত অভিযানের কথা ভেবেই এই বিমানের নকশা তৈরি করা হয়েছে। ৩.৮৪ মিটার দীর্ঘ এই ক্ষেপণাস্ত্রটির ওজন ৫০০ পাউন্ড। এতে রয়েছে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম ওয়ারহেড, যা উপকূল যুদ্ধ এবং আকাশে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে খুবই কার্যকরী। এই মিসাইলের একটি প্যাকেজ ইউনিটের দাম পড়বে ৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্যাকেজে অস্ত্রটির সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ, অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৌশলগত মদত থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়ে আলোচনা হয়। ভারতকে ‘মেজর ডিফেন্স পার্টনার’ তথা প্রতিরক্ষা সহযোগীর মর্যাদা দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর হয়। এবার হারপুন মিসাইল বিক্রির ব্যাপারেও সবুজ সংকেত মিলল। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের হাতে হারপুনের মতো ক্ষেপণাস্ত্র এলে তা চিন ও পাকিস্তানের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে।