রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে

রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে
রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে

রাজ্যে বেজে গেল ভোটের ঘণ্টা। ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দেওয়া বিবৃতি অনুসারে পুজোর আগেই মিটে যাবে নির্বাচন ও ফল ঘোষণার প্রক্রিয়া। জানা গিয়েছে, ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট হতে চলেছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ওই কেন্দ্র থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাঁড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল। তাই সব নজর এখন ওই কেন্দ্রেই।

এছাড়াও একইদিনে ভোট হবে জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জেও। এছাড়াও ওড়িশার পিপলি কেন্দ্রেও একই দিনে ভোট। ভোটের ফল ঘোষিত হবে ৩ অক্টোবর। রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেও দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায় কবে উপনির্বাচন হবে, তা এখনও ঘোষণা করেনি কমিশন।

রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে
রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে

তবে করোনাকালীন আবহে ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নভাবে মেটাতে একাধিক নিয়ম জারি করেছে কমিশন৷ কমিশনের নির্দেশানুযায়ী, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর। স্ক্রুটিনির দিন ১৪ সেপ্টেম্বর। কোনও প্রার্থী মনোনয়ন তুলে নিতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা করতে পারবেন। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ভোট প্রচার শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। অক্টোবরের ৫ তারিখের মধ্যে সমগ্র নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে
রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের! কবে কোন কেন্দ্রে ভোট? নজর ভবানীপুরে

উপনির্বাচনের জন্য ঠিক কী কী নিয়ম মানতে হবে?
প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কোনও মিছিল করতে পারবেন না। রিটার্নিং অফিসারের অফিসের ১০০ মিটারের মধ্যে ৩টির বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। প্রচারের ক্ষেত্রে ইন্ডোরে ৩০ শতাংশ এবং আউটডোর ৫০ শতাংশ লোক নিয়ে প্রচার করতে হবে। জাতীয় ও রাজ্যের দলগুলো ২০ জনের বেশি স্টার প্রচারক নিতে পারবেন না। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও রোড শো করা চলবে না। ৫০ জনের বেশি লোক নিয়ে জমায়েতও করা চলবে না। প্রার্থী-সহ ৫ জন বাড়ি বাড়ি প্রচারে যেতে পারবেন।

পাশাপাশি, প্রার্থী সহ নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে করোনা টিকার ডবল ডোজ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই গোটা প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও রকম করোনাবিধি লঙ্ঘিত না হয়, সেই কারণে রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিস প্রধান এবং স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।