কাশফুল থেকে বালাপোশ-বালিশ! রাজ্যে শিল্প সংস্থানের নয়া হদিশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

কাশফুল থেকে বালাপোশ-বালিশ! রাজ্যে শিল্প সংস্থানের নয়া হদিশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
কাশফুল থেকে বালাপোশ-বালিশ! রাজ্যে শিল্প সংস্থানের নয়া হদিশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

শরৎকাল এলেই বাংলার মাঠেঘাটে দেখা যায় কাশফুল। গ্রাম হোক বা শহর দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই আনাচেকানাচে হাওয়ায় দোলে শ্বেতশুভ্র কাশ। কাশফুল মূলত ছন গোত্রীয় এক ধরনের ঘাস। বাংলার নদীর ধার, শুকনো রুক্ষ এলাকা বা মাঠের ধারে কাশের ঝাড় দেখা যায়। নদীর তীরেই এই কাশফুল বেশি জন্মায়। শরৎ ঋতুতে সাদা ধবধবে হয়ে তা ফোটে। আবার শীতের সময় ফুলগুলো ঝরে যায়।

এবার এই কাশফুল দিয়েই নতুন শিল্প সংস্থানের দিশা দেখালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার হাওড়া জেলা প্রশাসনিক বৈঠকে বসে তিনি বলেন, মাঠেঘাটে বেড়ে ওঠা কাশফুল নষ্ট না করে তা কোনও কাজে লাগানো যায় কিনা তা দেখতে। কীভাবে কাজে লাগানো যাবে তার হদিশও দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, এই কাশফুল দিয়ে বালিশ-বালাপোশ বানালে তা প্রচুর টাকায় বিক্রি হবে।

এদিন বৈঠকে কাশফুল থেকে বালাপোষ এবং বালিশ তৈরি করা যাবে কি না, আধিকারিকদের তা দেখার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “পুজোর আগে বাংলায় কাশফুল হয়৷ পুজোর পর এই কাশফুল উড়ে চলে যায়। কোনও কাজে লাগে না। এই কাশফুলকে টেকনিক্যালি, কেমিক্যালি…কী দিতে হবে আমি জানি না। কেমিক্যাল দিয়ে রিসার্চের ব্যাপার আছে কিনা জানি না। তবে এগুলো কাজে লাগতে পারে। এগুলো সময়ে হয়, সময়ে ঝরে যায়।”

এরপরই আধিকারিকদের তিনি বুদ্ধি দেন, “কাশফুল থেকে কিন্তু বালাপোশ, বালিশ হতে পারে। যাঁদের সামর্থ্য আছে তারা প্রচুর টাকা দিয়ে কিনবেন। সুতরাং ওই কাশফুলটাকে কেমন ভাবে ব্যবহার করা যায় তা দেখো। কেমিক্যাল ব্যবহারে কাশফুলকে সংরক্ষণ করে বালিশ, তোষক তৈরির কাজে লাগানো যায় কিনা তা দেখতে পারো।”