ভবানীপুর উপনির্বাচন ও রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা দিলীপ ঘোষের!

ভবানীপুর উপনির্বাচন ও রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা দিলীপ ঘোষের!
ভবানীপুর উপনির্বাচন ও রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা দিলীপ ঘোষের!

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ ভবানীপুর উপনির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে। ফলও প্রকাশিত। রেকর্ড ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মুখ খলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ভবানীপুরে বেশি মানুষ ভোট দিতে বের হলেন না কেন? তৃণমূল বলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হবেন। যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তাঁর জন্য মানুষ ভোট দিতে বেরোলেন না কেন? মাত্র ৫৭ শতাংশ মানুষ ভোট দিলেন? ভবানীপুরের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান না।’

এখানেই থেমে যাননি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। তিনি আরও বলেন, ‘কেন আমরা কম ভোট পেয়েছি, তার জন্য বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। সাধারণ বুদ্ধিতেই বোঝা যায়। বিধানসভা ভোটের সময় একটা হাওয়া ছিল। অনেক মিটিং, প্রচার, মিছিল হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন বিজেপি জিতবে। তাই অনেক ফ্লোটিং ভোটার ভোট দিয়েছিলেন আমাদের। কিন্তু ভোটের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। আমাদের সমর্থদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। তারা এবার ভোট দিতে বের হননি। ফ্লোটিং ভোটাররাও আমাদের ভোট দেননি।’

অন্যদিকে, রাজ্যের টানা বৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে ডুবেছে রাজ্যে একাধিক এলাকা। ঘাটাল, দাসপুর, চন্দ্রকোনা, উদয়নারায়ণপুর,আমতায়, খানাকুল-সহ ভিভিন্ন জায়গা জলমগ্ন। বন্যা পরিস্থিতিতে বহু মানুষ অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকার ডিভিসিকে দায়ী করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় এতা ‘ম্যানমেড’ বন্যা। এনিয়েও এবার এদিন মুখ খুললেন রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপিত দিলীপ ঘোষ।

এদিন তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিথ্যে বলছেন তা জানতে ডিভিসির অফিসে গিয়েছিলাম। জল ছাড়ার ব্যাপারে যে কমিটি রয়েছে তাতে বাংলার সঙ্গে ঝাড়খণ্ড সরকারের প্রতিনিধিও রয়েছেন। ওই কমিটির সিদ্ধান্তেই ডিভিসির জল ছাড়া হয়। কখন ও কত জল ছাড়া হচ্ছে তা রাজ্যে সরকারকে জানানো হয় জল ছাড়ার ৬ ঘণ্টা আগেই। ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলের ধাক্কা কতদূর যেতে পারে তাও রাজ্য সরকারেকে জানিয়ে দেওয়া হয়। তার পরও প্রতিবার মিথ্যে বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য কোনও ব্যবস্থা নেন না। ঠিক যেমন ঝড়ের খবর পেয়েও কোনও আগাম ব্যবস্থা নেননি। দীর্ঘদিন খাল সংস্কারও করেননি।’