মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই, ২০২২

মায়ের সঙ্গে কাপড় কাচতে গিয়েই চরম বিপত্তি! নদীগর্ভে তলিয়ে গেল শিশুকন্যা

চৈত্রী আদক | তনুজ জৈন

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২২, ০৬:০৭ পিএম | আপডেট: জুলাই ৫, ২০২২, ০৬:০৭ পিএম

মায়ের সঙ্গে কাপড় কাচতে গিয়েই চরম বিপত্তি! নদীগর্ভে তলিয়ে গেল শিশুকন্যা
মায়ের সঙ্গে কাপড় কাচতে গিয়েই চরম বিপত্তি! নদীগর্ভে তলিয়ে গেল শিশুকন্যা / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ২৪×৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ একটু অসাবধানতা, আর তাতেই ধেয়ে আসতে পারে চরম বিপদ। মায়ের সঙ্গে নদীতে কাপড় কাচতে গিয়েছিল চার বছরের এক শিশুকন্যা। আচমকাই ঘটে বিপত্তি। মহানন্দা নদীর গর্ভে তলিয়ে যায় শিশুটি। এখনও অবধি তাকে উদ্ধারের কাজ শুরু হয়নি। গোটা ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল-২ নম্বর ব্লকের  চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জোতমনি গ্রামের মহানন্দা ঘাটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চাঁচল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে ইতিমধ্যেই দু’ঘণ্টা অতিক্রান্ত। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শিশুটিকে উদ্ধার করার কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। প্রশাসন জানিয়েছে, ডুবুড়িরা রাস্তায় রয়েছে। খুব শীঘ্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছবেন তারা।

পুলিশ সূত্রে খবর, চার বছরের ওই শিশুকন্যাটির নাম ফাইমা ইয়াসমিন। তাঁর মা জহরুন বিবি এবং বাবা ফজলুর রহমান। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশেই মহানন্দা নদীতে কাপড় কাচতে যান শিশুকন্যাটির মা। মায়ের সঙ্গে যায় শিশুটিও। নদীর পাড়ে কাজ করার সময়ে আচমকাই নদীর জলে পড়ে যায় শিশুটি। নিমেষের মধ্যে তলিয়ে যায় নদীগর্ভে।

চোখের সামনে সন্তানকে নদীর জলে তলিয়ে যেতে দেখে চিৎকার শুরু করেন মা। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন গ্রামবাসীরা। মেয়েটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তারা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরে। কিন্তু দু’ঘণ্টার বেশি অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত উদ্ধারকার্য শুরু হয়নি। প্রশাসনের উদাসীনতায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শিশুটির পরিবার থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

গোটা ঘটনা প্রসঙ্গে মা জহরুন বিবি জানান, “কাপড় কাচতে এসেছিলাম নদীর ঘাটে। পিছন ফিরে দেখি মেয়েটা নেই। সঠিক সময় ডুবুরিরা পৌঁছে উদ্ধার কাজও শুরু করেনি। আমার দুই মেয়ে। ফাহিমা বড়। মেয়েকে না পেয়ে উদ্বেগে রয়েছি আমরা।”