ইনজেকশন চুরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের

ইনজেকশন চুরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের
ইনজেকশন চুরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের

কলকাতা মেডিকেল কলেজে ২৬টি জীবনদায়ী টসিলিজুম্যব ইনজেকশন চুরি নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিল ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত ও দোষীদের বহিষ্কার অথবা সাসপেন্ডের দাবি জানালেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ। পাশাপাশি মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ কমিটি গঠন করে তদন্ত করছে।

গতকাল ২৬টি ইনজেকশন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। চুরি যাওয়া এই জীবনদায়ী টসিলিজুম্যব ইনজেকশন গুলির দাম প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।
যখন মারণ ভাইরাসের সঙ্গে যুজছে গোটা দেশ তথা বাংলা তখনই হাসপাতাল থেকে ইনজেকশনে চুরি যাওয়ার বেনজির ঘটনা ঘটল কলকাতায়। যখন সারাদেশে পর্যাপ্ত ওষুধের আকাল চলছে তখন নজর এড়িয়ে কিভাবে এমন ঘটনা ঘটলো তাই নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। প্রশ্ন উঠছে যেখানে স্পেসিমেন এক্সামিনেশন ফর্ম ছাড়া এই ইনজেকশন পাওয়া সম্ভব নয় সেখানে কি করে ২৬টি ইনজেকশন চুরি যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটল।

এদিকে, ঘটনায় অভিযোগের তীর উঠছে মেডিকেল কলেজেরই এক চিকিৎসকের দিকে। অভিযোগ নিজের প্রভাব খাটিয়ে কর্তব্যরত এক নার্সের থেকে ইনজেকশন সংগ্রহ করেছেন ওই চিকিৎসক। একটি কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ার পরই বিষয়টি নজরে আসে।

পুরো বিষয়টি তদন্ত করতে ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশে গঠিত হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। তবে পিছু ছাড়ছে না প্রশ্ন। এই সঙ্কটকালে কালোবাজারি চক্রের যোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। যদিও স্বাস্থ্য দফতরের আশ্বাস কীভাবে ও কারা এই কাজ করেছে খতিয়ে দেখা হবে, ঘটনার পূর্নাঙ্গ তদন্ত হবে।

অধ্যক্ষ মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনা জানতে পারার পরই তদন্ত কমিটি গঠন করি আমরা। কমিটির সদস্যরা অভিযুক্তদের ডেকেছিলেন। আমরা ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্টটা চেয়েছি।”