টানটান উত্তেজনায় চলছে ভোট গণনা! নীল বাড়ি দখলের দৌড়ে জিতবে কে?
টানটান উত্তেজনায় চলছে ভোট গণনা! নীল বাড়ি দখলের দৌড়ে জিতবে কে?

নীল বাড়ি দখলের দৌড়ে কে জিতবে তাই নিয়ে শুরু হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। এদিন ২৯২টি কেন্দ্রের ভোট গণনা চলছে। ২০১৬-র বিধানসভায় তৃণমূল পেয়েছিল ২১১টি আসন। অন্য দিকে বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৩টি। যদিও ২০১৯-এর লোকসভায় বিজেপি পাল্টা চাল দিয়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল।  তাই এবারের নির্বাচনের ফল কি হবে তা নিয়ে উৎকণ্ঠা ক্রমেই বাড়ছে।

সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, রাজ্যের ২ মন্ত্রী এগিয়ে রয়েছেন। বালিগঞ্জে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতা বন্দর এলাকায় রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এগিয়ে রয়েছেন ৬৩০০ টি ভোটে। এদিকে টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে এখনো এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় । রাজারহাট নিউটাউন কেন্দ্রে পোস্টালে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী তাপস চ্যাটার্জি।

পোস্টাল ব্যালটে ১১৬ নম্বর বুথের বিধান নগর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু ১৫০০ ভোটে এগিয়ে। একইসঙ্গে, রামপুরহাটে এগিয়ে বিজেপির শুভাসিষ রায়। আসানসোলে উত্তরে এগিয়ে তৃণমূলের মলয় ঘটক। আসানসোলে দক্ষিণে এগিয়ে তৃণমূলের সায়নী ঘোষ।মধ্য হাওড়ায় এগিয়ে তৃণমূলের অরূপ রায়। বাঘমুণ্ডিতে এগিয়ে কংগ্রেসের নেপাল মাহাত।

অন্যদিকে, এবারের হটসিট নন্দীগ্রাম। সেখানে এগিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাংলার নজর রয়েছে নন্দীগ্রামের দিকে। নন্দীগ্রামে যে টক্কর হবে সমানে সমানে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এবারে নজর থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব এলাকা ভবানীপুরেরও। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়কে। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি এগিয়ে রয়েছেন ২২০০ ভোটে।

প্রসঙ্গত, এখনও পোস্টাল ব্যালটে ৩৩টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল। ২৭ টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অন্যদিকে, সংযুক্ত মোর্চা এগিয়ে ১টি আসনে। এদিন সকাল ৮টা থেকে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়েছে। সাড়ে ৮টা থেকে ইভিএম গণনা শুরু হয়েছে। সর্বনিম্ন ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা হবে।  ২৩ জেলার ২৯২ টি কেন্দ্রের প্রার্থীদের ভাগ্য গণনা হবে ১০৮ টি কেন্দ্র থেকে। এর মধ্যে কলকাতার ১১ টি আসনের জন্য রয়েছে ৬ টি গণননাকেন্দ্র।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.