রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার! দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমলেও, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা

রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার! দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমলেও, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা
রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার! দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমলেও, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশে দৈনিক করোনার সংক্রমণ অনেকটাই কম। রাজ্যেও সামান্য কমল দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা। গত কয়েক দিনে রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার। যদিও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৯,০০৩ জন। এর জেরে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১১ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৩৩ জন। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,২২০ জন। এরপরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৮৯৯ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১,২৬৯ জন। এছাড়া হাওড়া ও হুগলিতে একদিনে আক্রান্ত যথাক্রমে ১,২৭১ ও ১,০৮৬ জন। আবার দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে নদিয়া জেলায়। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকেও আসছে নতুন আক্রান্তের খবর। পর্যটনস্থল দার্জিলিংয়েও কমছে না সংক্রমণ।

স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৪৭ জনের। এখন পর্যন্ত রাজ্যে ১৩ হাজার ৪৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগণা এবং কলকাতা, এই দুই জেলায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা এক। এই দুই জেলায় ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যার নিরিখে এরপরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা। সেখানে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।

এদিকে দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি বাংলাতেও কয়েকদিন ধরে বাড়ছিল অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা। তবে, লকডাউন এবং কড়া বিধিনিষেধ জারির পর, সংক্রমণের গতি কমতে শুরু করেছে ধীর গতিতে হলেও। বর্তমানে করোনায় চিকিৎসাধীন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৫৬০। গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনাকে পরাস্ত করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,১০১ জন। এ নিয়ে মোট ১০ লক্ষ ৭ হাজার ৪৪২ জন সুস্থ হয়েছেন করোনা থেকে। বর্তমানে সুস্থতার হার ৮৭.৪২ শতাংশ।

দেশজুড়ে টিকাকরণের পাশাপাশি চলছে করোনার পরীক্ষাও। সেখানে ব্যতিক্রম নয় বাংলাও। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬০ হাজার ১৬ জনের। যদিও রবিবারের তুলনায় বেশ খানিকটা কম করোনার স্যাম্পেল টেস্ট।