সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২

নন্দীগ্রাম দিবসে কৃষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট মুখ্যমন্ত্রীর, টুইটে শুভেচ্ছা শুভেন্দুরও

আত্রেয়ী সেন

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২২, ১০:৪২ এএম | আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২২, ১০:৪২ এএম

নন্দীগ্রাম দিবসে কৃষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট মুখ্যমন্ত্রীর, টুইটে শুভেচ্ছা শুভেন্দুরও
নন্দীগ্রাম দিবসে কৃষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট মুখ্যমন্ত্রীর, টুইটে শুভেচ্ছা শুভেন্দুরও

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ নন্দীগ্রাম দিবস। আজ নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে রাজ্য তথা গোটা দেশের কৃষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ এই দিনটিকে রাজ্যে ‘কৃষক দিবস’ হিসেবেই পালন করা হয়ে থাকে। 

তাই প্রতি বছরের মতো এবছরও রাজ্যে পালিত হচ্ছে কৃষক দিবস। নন্দীগ্রামে কৃষক হত্যার কথা স্মরণ করিয়ে এদিন টুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘২০০৭ সালের ১৪ মার্চের কথা আমরা ভুলিনি। প্রতিবছর এই দিনটি আমরা কৃষক দিবস হিসেবে পালন করি। সেদিন নিরীহ, সাহসী কৃষকদের পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল। এই দিনটি আমরা তাঁদের এবং রাজ্য তথা দেশের সমস্ত কৃষকদের প্রতি উৎসর্গ করে পালন করি।’

এখানেই শেষ নয়, তিনি এদিন আরও লেখেন, ‘কৃষকরা আমাদের গর্ব। আরও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের সমস্তরকম সহায়তা করছি আমরা। সুলভে কৃষকদের জন্য কৃষিকাজে ব্যবহৃত সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। আর্থিকভাবে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। পেনশনের ব্যবস্থা এবং মৃত্যুর পর কৃষক পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও করা হচ্ছে।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আজ পশ্চিমবঙ্গ কৃষিকাজে প্রথম সারির রাজ্যগুলির তালিকায় উপরের দিকেই স্থান করে নিয়েছে। তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এ রাজ্যের কৃষকদের রোজগার। আমার সকল কৃষক ভাই, বোন এবং তাঁদের পরিবারকে কৃষক দিবসের শুভেচ্ছা জানাই।’

অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম দিবসের স্মরণে টুইট করেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি লিখেছেন, ‘নন্দীগ্রাম আগেও বশ্যতা স্বীকার করেনি, আগামিদিনেও পথ দখাবে। জমি রক্ষার আন্দোলনের শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম। জয় জয় নন্দীগ্রাম।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম এখনও যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চের ঘটনার জন্যই শুধু নয়, এবারের একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় নন্দীগ্রাম নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। একদা তৃণমূলের মন্ত্রী তথা মমতা-ঘনিষ্ঠ শুভেন্দু অধিকারী এই নন্দীগ্রামেই একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দল পরিবর্তন করে বিজেপির হয়ে লড়েছিলেন। তাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে। শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হলেও, ফল নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময়ও শুভেন্দু অধিকারী এই নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গকে প্রচারের হাতিয়ার করেছেন।