১৫ ঘন্টা পিপিই কিট পরে থাকার পর চিকিৎসকের চেহারার এ কী অবস্থা! ছবি দেখে চোখে জল নেটজনতার

১৫ ঘন্টা পিপিই কিট পরে থাকার পর চিকিৎসকের চেহারার এ কী অবস্থা! ছবি দেখে চোখে জল নেটজনতার
১৫ ঘন্টা পিপিই কিট পরে থাকার পর চিকিৎসকের চেহারার এ কী অবস্থা! ছবি দেখে চোখে জল নেটজনতার

দিনের পর দিন চড়ছে করোনার গ্রাফ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের হারও। তবে দেশের এই কঠিন পরিস্থিতিতেও কিন্তু নিজেদের কাজ বন্ধ রাখেননি কোভিড-যোদ্ধারা। নিজেদের কাজ নিষ্ঠা ভরে ঠান্ডা মাথায় সামলে যাচ্ছেন তাঁরা। বিশেষ করে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের এখন বিন্দুমাত্রও সময় নেই অন্য কোনও দিকে তাকাবার। নিজেদের শত অসুবিধাকে তুচ্ছ করেই মানুষের সেবায় প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তাঁরা।

এর মধ্যেই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠেছে দুটি ছবি৷ যা দেখে চোখে জল এসেছে নেটিজেনদেরও। মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্বাস্থ্যকর্মীরা যে কী ভাবে নিজেদের নিঙড়ে দিচ্ছেন, তার স্পষ্ট উদাহরণ ওই ছবি৷ ছবি দুটি শেয়ার করেছেন ডঃ সাহিল নামে এক চিকিৎসক। প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি পিপিই কিট পরে রয়েছেন। দ্বিতীয় ছবি দেখাচ্ছে, পিপিই কিট পরে ১৫ ঘন্টা কাজ করার পর চেহারা ঠিক কীরকম দাঁড়ায়। ছবিতে সম্পূর্ণ জবজবে ঘামে ভেজা শরীরে দেখা যাচ্ছে চিকিৎসককে। দেখে মনে হচ্ছে এইমাত্র যেন তিনি জলে ভিজে এলেন।

ছবি দুটি শেয়ার করে ডঃ সাহিল লিখেছেন, ‘জাতির সেবা করার জন্য গর্বিত’। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের থেকে রক্ষা পেতে শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা এবং সময়ে টিকা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি। বলাই বাহুল্য, ছবি দুটি দেখে নেটিজেনদেরও চোখ ভিজে গিয়েছে। নিজেদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কীভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা সেবা করে চলেছেন দেশের কোভিড যোদ্ধাদের দল, তা ভেবেই আবেগী হয়ে পড়েছেন নেটজনতা। নতমস্তকে তাঁদের উদ্দেশ্যে প্রণামও জানিয়েছেন সকলে।

আসলে এই মুহূর্তে দেশের যা পরিস্থিতি, তাতে নিজেদের প্রতি খেয়াল রাখার সময়টুকুও পাচ্ছেন না চিকিৎসকরা। না দিতে পারছেন নিজের পরিবারকে একটু সময়। শত আঘাতেও আবেগে না ভেসে ঠান্ডা মাথায় নিজেদের দায়িত্ব পালন করে যেতে হচ্ছে তাঁদের। আমাদের যে কোনও বিপদে ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন তাঁরাই। তাঁদের সুরক্ষার কথাও আমাদের অবশ্যই ভাবা উচিৎ। তাই তাঁদের কষ্ট লাঘব করতে সামান্য কয়েকটি করোনা বিধি কি মেনে চলতে পারি না আমরা? পারি না কি এই করোনার হাত থেকে নিজেদেরই নিজেকে বাঁচাতে? আর একটু সাবধানে থাকতে? দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এগুলো যে আমাদেরও কর্তব্য!

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.