নিজের জেতা আসন হেলায় মমতাকে দিয়েছিলেন! ভোট দিতে এসে আজ কী বললেন শোভনদেব?

নিজের জেতা আসন হেলায় মমতাকে দিয়েছিলেন! ভোট দিতে এসে আজ কী বললেন শোভনদেব?
নিজের জেতা আসন হেলায় মমতাকে দিয়েছিলেন! ভোট দিতে এসে আজ কী বললেন শোভনদেব?

মাস কয়েক আগেই বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে গোহারা হারিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষকে। কিন্তু তারপরেই সেই আসন হেলায় ছেড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নন্দীগ্রামে সামান্য ভোটে হেরে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তাই তিনি কিছু বলার আগেই ভবানীপুরের আসন মমতার হাতে সঁপে দেন। তিনি, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূলে বিশ্বস্ততার অন্যতম এক উদাহরণ তিনিই! এই ৭৭ বছর বয়সেও রাজনীতিতে চরম সক্রিয় তাঁর মাথা।

আজ সেই শোভনদেবের ছেড়ে যাওয়া আসনে উপনির্বাচন। বলাই বাহুল্য, সেই আসন থেকেই দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাই সকাল সকালই ভোট দিতে চলে এলেন শোভনদেব। সঙ্গে দুই ছেলে, সায়নদেব ও ঈশানদেব। এই মুহূর্তে তৃণমূলের যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদকের পদে রয়েছেন সায়নদেব। সকালে ভবানীপুরের ভোটদান অনেকাংশেই স্তিমিত ছিল। তবে তা নিয়ে চিন্তা নেই শোভনদেবের। তাঁর কথায়, কোনও চিন্তা নেই। বেলা বাড়লেই ভবানীপুরে ভোট বাড়বে। এটাই হয়ে আসছে। এটাই ট্রেন্ড।

আসলে ভবানীপুরকে হয়তো তাঁর থেকে ভালো কেউ চেনে না। তাই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন সত্যি হল শোভনদেবের কথাই। সকাল নটায় ভবানীপুরে ভোট ছিল মাত্র ৮ শতাংশেরও কম। বেলা ১১ টার পর সেখানেই ভোট পড়ল ২১ শতাংশের বেশি। উল্লেখ্য, ভবানীপুরের লড়াই শেষ হলেও যদিও স্বস্তি ফিরছে না শোভনদেবের। খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহার অকালপ্রয়াণের পর পুনর্নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন শোভনদেবই। সেখানে আরেকবার লড়তে হবে তাঁকে।

তবে সেসব নিয়ে বেশি চিন্তা নেই বর্ষীয়াণ নেতার মাথায়। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীর ভরসার যোগ্য মর্যাদা দিয়ে বিপুল ভোটে জিতে ফিরেছিলেন তিনি। তারপর নেত্রীকেও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন প্রাপ্য। আজ সেই একই আসনের উপনির্বাচন মিটলেই যেন কিছুটা স্বস্তি ফিরবে শোভনদেবের।