মমতার হয়ে প্রচার করবেন কারা? তালিকা প্রকাশ তৃণমূলের

মমতার হয়ে প্রচার করবেন কারা? তালিকা প্রকাশ তৃণমূলের
মমতার হয়ে প্রচার করবেন কারা? তালিকা প্রকাশ তৃণমূলের

ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। প্রার্থীর নামও ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল। বাকি ছিল শুধু প্রচারক এর তালিকা প্রকাশ করা। সোমবার সেই কাজও সম্পন্ন করল রাজ্যের শাসক দল। ভবানীপুরের হেভিওয়েট প্রার্থী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রচার এর জন্য ২০ জন তারকা প্রচারকের নামের তালিকা প্রকাশ করল ঘাসফুল শিবির।

সোমবার ওই প্রকাশিত তালিকায় যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে তেমনই নাম রয়েছে যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী, মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়ার। এছাড়াও ওই তালিকায় নাম রয়েছে ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব, তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভানেত্রী সায়নী ঘোষের। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে রাজ্যের শাসকদলের পক্ষ থেকে ২০ তারকা প্রচারকের নামের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে।

তবে শুধু ভবানীপুর কেন্দ্রে নয় বাকি তুই কেন্দ্র অর্থাৎ সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর প্রচারে নামবে একাধিক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীরা। সে ক্ষেত্রে তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, চার দাপুটে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়, রাজ্যসভা সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, দলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মনোজ তিওয়ারি, বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, শতাব্দী রায়, মালা রায়দের।

এদিকে প্রচার পর্ব চালানোর ক্ষেত্রে একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে যা যা বিধি নিষেধের কথা বলা হয়েছে:

(১) রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি না পেয়ে কোনওরকম রোড শো নয়।

(২) বাইক মিছিল কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

(৩) রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি নিয়েই স্ট্রিট কর্নার মিটিং করতে হবে। অন্যথায় নয়।

(৪) বাড়িবাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে প্রার্থী সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ জন যেতে পারবেন।

(৫) CEO অনুমতি সাপেক্ষে ভার্চুয়াল প্রচার করা যেতে পারে।

(৬) প্রতি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ২০ জন তারকাকে প্রচারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে।

(৭) তারকা প্রচারে সর্বাধিক ১০০০ জনের জমায়েত করা যাবে।

(৮) রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া প্রচারে গাড়ি ব্যবহার করা যাবে না।

(৯) ভোটের কাজে যাঁরা অংশ নেবেন, তাঁদের দুটি কোভিড ভ্যাকসিন ডোজ বাধ্যতামূলক।

(১০) সাইলেন্স পিরিয়ড ৭২ ঘন্টা। অর্থাৎ, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগেই প্রচার শেষ করতে হবে।

(১১) ভোটের দিন প্রার্থীর সঙ্গে গাড়িতে সর্বাধিক ৫ জন থাকতে পারবেন

(১২) ভোটের দিন সর্বোচ্চ দুটি গাড়ি রাখা যাবে প্রার্থীর সঙ্গে।

(১৩) ভোট কেন্দ্রে স্যানিটাইজেশন বাধ্যতামূলক।

(১৪) ফলপ্রকাশের পর কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না

করোনা মহামারির তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার মধ্যেই রাজ্যে উপনির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ৩ কেন্দ্রে হবে ভোট গ্রহণ। গণনা ও ফলাফল ৩ অক্টোবর। তবে ভোট হলেও কঠোরভাবে করোনা বিধি মেনেই প্রচার পর্ব সারতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।