এবার বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ার টিকিট পেলেন উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত কুলদীপ সেনেগারের স্ত্রী!

এবার বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ার টিকিট পেলেন উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত কুলদীপ সেনেগারের স্ত্রী!
এবার বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ার টিকিট পেলেন উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত কুলদীপ সেনেগারের স্ত্রী! / ছবি সৌজন্যে- Tweeted By @ikuldeepsengar

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজনীতিতে সব সম্ভব, একথা প্রায়শই শোনা যায়। তেমনই ঘটনা ঘটেছে এবার উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে। যা ফের একবার এই উপরিউক্ত কথাই সত্যি বলে প্রমাণ করল। সামনেই যোগীরাজ্যের জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাঁচ জেলায় রয়েছে ভোট। তার ঠিক আগে, নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার টিকিট পেলেন উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেনেগারের স্ত্রী। বিজেপির এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উঠছে প্রশ্ন।

উল্লেখ্য, কুলদীপের স্ত্রী সঙ্গীতা ২০১৬ সালে জেলা পঞ্চায়েতের সভাপতি হয়েছিলেন। সেই সময়, বিজেপির বিধায়ক ছিলেন স্বামী কুলদীপ। উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে কুলদীপ সেনেগারকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২০১৭ সালে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। শুধু ধর্ষণের অভিযোগই নয়, তার বিরুদ্ধে নির্যাতিতা নাবালিকার বাবাকে খুনের অভিযোগও ছিল। আদালত এই দুই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপকে। প্রাক্তন এই বিজেপি বিধায়ক ছাড়াও তার ভাই অতুল সেনেগার ও বাকি আরও ছ’জনকেও একই সাজা শোনানো হয়েছিল।

বর্তমানে উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত এই বিজেপি বিধায়ক তিহার জেলে সাজা খাটছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কৃত করে বিজেপি। এর পাশাপাশি তার উত্তরপ্রদেশের বিধানসভার সদস্যপদও খারিজ করা হয়।

এত কিছুর পরেও, উত্তরপ্রদেশের জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে তার স্ত্রীকে ভোটে লড়ার টিকিট দেওয়ায় উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন একটাই এই গুরুতর অভিযোগ এবং সেই অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত কুলদীপকে দল থেকে সরানোর পরে, কেন তার স্ত্রীকে টিকিট দেওয়া হল নির্বাচনে লড়ার? দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, উত্তরপ্রদেশ বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিং ও সচিব সুনীল বনশলই অনুমোদন দিয়েছেন সঙ্গীতার ভোটে দাঁড়ানোকে।

সুত্রের খবর, কুলদীপ ও তার ভাই জেলে থাকলেও তাদের পরিবারের প্রভাব এখনও রয়েছে এলাকায়। উল্টে ২০১৮ সালে কুলদীপের গ্রেফতারির পর থেকে এলাকায় তাদের পরিবারের উপরে অনেকেরই একটা সহানুভূতিও লক্ষ্য করা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেইসব দিক বিচার-বিবেচনা করেই ক্ষমতা ধরে রাখতে, সঙ্গীতাকে ভোটে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। কারণ নির্বাচনে জিততে কোনও সুযোগই হাতছাড়া করতে রাজি নয় বিজেপি।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.