নন্দীগ্রামে জিতবই, দাবি তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষেরই

নন্দীগ্রামে জিতবই, দাবি তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষেরই
নন্দীগ্রামে জিতবই, দাবি তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষেরই

প্রথম থেকেই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এবার এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে নিজেদের জয় নিশ্চিত বলেই দাবি করেছে তৃণমূল- বিজেপি উভয়পক্ষই। তৃণমূলের তরফে এদিন মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “অন্তত ৬৫ হাজার ভোটে জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, “ভোটদানের হার যদি ৮৫ শতাংশে পৌঁছয় তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমি জিতব”।

প্রার্থীর নাম ঘোষনার পর থেকেই হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম। সেই ধারা বজায় থাকলো ভোটের দিনও। দফায় দফায় অশান্তি নিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোটে সারাদিন উত্তপ্ত থাকলো নন্দীগ্রাম। এরমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বয়ালে সাত নম্বর বুথে গেলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

এর মাঝেই ভবিষ্যত বাণী করলেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “আমার যা হিসাব তাঁতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমপক্ষে ৬৫ হাজার ভোট এবং সর্বোচ্চ ৮০ হাজার ভোটে জিতবেন। আমরা অনেক যোগ-বিয়োগ করেছি এবং বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই জেনেছি খবরটা। তাঁতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্তত ৬৫ হাজার ভোটে জিতবেন।” তাঁর কথায়, “শুভেন্দু গন্ডগোল বাধানোর চেষ্টা করলেও কোনও সুবিধা করতে পারেনি। মমতার দুপুরের পর বেরোনো একটা নির্বাচনী পদক্ষেপ। মমতার নির্বাচন করার কৌশল অনেকেই বুঝতে পারেনি।”

অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী দাবি করে বলেন, “৮৫ শতাংশ যদি ভোট পড়ে তাহলে বুঝতে হবে পরিবর্তন হচ্ছে৷ আর যেভাবে ভোট পড়ছে, তাতে ভোটদানের হার ৮৫ শতাংশ ছুঁয়ে ফেলবে বলেই আমার মনে হয়৷ যদি কম ভোট পড়ত, ভোটদানের হার ৬০-৬৫ শতাংশের মধ্যে থাকত তাহলে চিন্তা করতে হত৷”

এদিকে, নন্দীগ্রামের অশান্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই ৬৩ টি অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়ের করেছে তৃণমূল। এমনকি এই নিয়ে রাজ্যপালকেও নালিশ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যদিও সেই কথা উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু বাবু জানান, “নন্দীগ্রামে সামগ্রিক ভাবে শান্তিতেই ভোট হয়েছে৷ শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী সব শায়েস্তা করে দিয়েছে৷ দু’ এক জায়গায় ঝামেলা পাকাতে চেয়েছিল, আমি আগেই খবর পেয়ে গিয়েছি৷ ওদের মধ্যে এখনও আমার লোক আছে”।

প্রসঙ্গত, সর্ব শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে
বিকেল 5টা পর্যন্ত ৮০.৪৩ %। এরমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পড়েছে ৭৯.৬৫%, পূর্ব মেদিনীপুরে পড়েছে ৮১.২৩%,পশ্চিম মেদিনীপুরে পড়েছে ৭৮.০২%,বাঁকুড়াতে ভোট পড়েছে ৮২.৯২% এবং
নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৮০.৭৯%।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.