একি কাণ্ড! সুপারমার্কেটে গিয়ে, মহিলা একের পর এক ভাঙলেন মদের বোতল! ভাইরাল ভিডিও

একি কাণ্ড! সুপারমার্কেটে গিয়ে, মহিলা একের পর এক ভাঙলেন মদের বোতল! ভাইরাল ভিডিও
একি কাণ্ড! সুপারমার্কেটে গিয়ে, মহিলা একের পর এক ভাঙলেন মদের বোতল! ভাইরাল ভিডিও

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ দোকানের সেল্ফে রাখা সারি দিয়ে দামি দামি মদের বোতল। আর এক মহিলা মনের সুখে একের পর এক সেই মদের বোতল ভেঙেই চলেছেন বিনা বাঁধায়।

আচমকা দেখলে মনে হবে, তিনি বুঝি বোতল ভাঙার কাজ করছেন। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে মহিলা এই তাণ্ডব চালালেন, আর দোকানের কর্মচারীরা সকলেই নির্বাক দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন পুরো ঘটনাটা। অজানা আতঙ্কে কেউ এগিয়ে এসে আটকালেন না ওই মহিলাকে। কিছুক্ষণ পরে অবশ্য দোকানের এক কর্মচারী পুলিশে খবর দিলে, পুলিশ এসে ওই মহিলাকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার দুপুরে ইংল্যান্ডের হার্টফোর্ডশায়ারের একটি দোকানে। ওই দোকানে খুব সাধারণ জামাকাপড় এবং গায়ে হুডি পরিহিত এক মহিলা ঢুকেই, শান্তভাবে দোকানের সেল্ফে রাখা একের পর এক মদের বোতল আছড়ে ফেলে ভাঙতে শুরু করেন। তিনি মনের আনন্দে বোতল ভাঙছেন আর সেই দোকানের কর্মচারীরা কিছু বুঝতে না পেরে, ভয়ে চুপ করে রয়েছেন।

এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেতেই, তা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। আলদি স্টোর নামে ওই দোকানের এক কর্মচারীই পরে সম্বিত ফিরতে, পুলিশকে ফোন করেন। সেই ফোন পেয়ে পুলিশ এসে ওই মহিলাকে সেখান থেকে প্রথমে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়, কারণ ওই মহিলা তাঁর এক হাতে আঘাত পেয়েছিলেন। তারপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

এই ঘটনার যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে, মেঝেতে চারিদিকে কাচের বোতল ভাঙা পড়ে রয়েছে। হেঁটে যাওয়ার মতোও জায়গা নেই এতোটুকু। একদম শেষে দাঁড়িয়ে এক মহিলা এক এক করে দামি মদের বোতল ভাঙছেন। যার মূল্য কয়েক হাজার পাউন্ড।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন যে, আধ ঘণ্টা ধরে একটা মানুষ বোতল ভাঙলেন, আর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন দোকানে উপস্থিত কর্মচারীরা, কেন? কেউ এগিয়ে এসে, কেন তাঁকে নিরস্ত করার চেষ্টা করলেন না?

জানা যাচ্ছে, ওই মহিলা দোকানের লম্বা মিডল সেল্ফের পুরোটাই খালি করে দিয়েছিলেন ভেঙে। তবে, উপরের সেল্ফের বোতল ভাঙতে শুরু করলে, তাঁকে ধরে ফেলে পুলিশ। এরপর খুব সাবধানে সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে সম্পর্কে ওই দোকানের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। শুধুমাত্র বলা হয়েছে যে, পুলিশ এই আজব কাণ্ডের পিছনের কারণ অনুসন্ধানের জন্য ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.