অপরিকল্পিত ভ্যাকসিনেশনে বিপদ! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানালো AIIMS চিকিৎসকরা

অপরিকল্পিত ভ্যাকসিনেশনে বিপদ! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানালো AIIMS চিকিৎসকরা
অপরিকল্পিত ভ্যাকসিনেশনে বিপদ! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানালো AIIMS চিকিৎসকরা

নতুন মিউট্যান্ট স্ট্রেইনে বাড়তে পারে সংক্রমণ, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। অপরিকল্পিত ভ্যাকসিনেশনে বিপদ। নতুন মিউট্যান্ট স্ট্রেইন করোনা প্রতিরোধের তুলনায় বেশি বিপদ বাড়াতে পারে। প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিয়ে জানাল বিশেষজ্ঞ কমিটি।

অপরিকল্পিত অনিয়ন্ত্রিত টিকাকরণে নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। না হলে করোনা কমার বদলে বাড়তে পারে বিপদ।এমনই রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিল এইমস-এর চিকিৎসক এবং ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স সদস্যদের একাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা থেকে সেড়ে উঠেছেন, এমন ব্যক্তির এক্ষুনি হুড়োহুড়ি করে টিকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ইন্ডিয়ান পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব এপিডেমোলজিস্ট-এর বিশেষজ্ঞরা তাঁদের রিপোর্টে বলেছেন, গণ টিকাকরণের পরিবর্তে যাদের ঝুঁকি রয়েছে তাদের টিকায় অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। না হলে ফল হতে পারে মারাত্বক।

অপরিকল্পিত ভ্যাকসিনেশনে বিপদ /  প্রতীকী ছবি
অপরিকল্পিত ভ্যাকসিনেশনে বিপদ / প্রতীকী ছবি

প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো রিপোর্টে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এক সঙ্গে টিকাকরণে প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাবা প্রয়োজন কোভিড পরিসংখ্যান এবং হাতে যেটুকু রসদ আছে তাকে হাতিয়ার করে টিকাকরণ করার কথা। সকলকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক নাও হতে পারে। রিপোর্টে স্পষ্টই বলা হয়েছে, গণ টিকাকরণ, হুড়োহুড়ি করে অসম্পূর্ণ টিকাকরণ মিউট্যান্ট স্ট্রেইনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে প্রয়োজন ক্লাসিফিকেশন। তারা বলছেন কোনও এলাকায় যদি একটি বিশেষ মিউট্যান্টের প্রভাব বেশি থাকে তবে সেই এলাকাকে আগে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে হবে। যে অঞ্চলে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট বেশি প্রভাব বিস্তার করছে সে অঞ্চলে দ্বিতীয় ডোজের ব্যবধান কমিয়ে আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনার বিরুদ্ধে সবথেকে শক্তিশালী অস্ত্র ভ্যাকসিন। তবে নির্বিচারে এই অস্ত্র ব্যবহার করা ঠিক হবে না বরং সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে সবথেকে কম খরচে পরিকল্পনা সেরে ফেলতে প্রয়োজন স্ট্র্যাটেজি। দেশের সমস্ত ১৮ ঊর্ধ্বকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা নীতিগতভাবে সুন্দর হলেও তা বাস্তব নয়। মনে রাখতে হবে ভ্যাকসিনও পর্যাপ্ত নয়। এই পরিস্থিতিতে মৃত্যু হার কমাতে বিশেষ করে জোর দিতে হবে প্রবীণদের টিকাকরণে। ওবেসিটি, কোমরবিডিটি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের টিকাকরণেই বিশেষ জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।