কলকাতার বাইপাসে প্রকাশ্য দিবালোকে উদ্ধার, বাইকের পিছনে হাত বাঁধা অবস্থায় বসা দুই নাবালিকা!

কলকাতার বাইপাসে প্রকাশ্য দিবালোকে উদ্ধার বাইকের পিছনে হাত বাঁধা অবস্থায় বসা দুই নাবালিকা!
কলকাতার বাইপাসে প্রকাশ্য দিবালোকে উদ্ধার বাইকের পিছনে হাত বাঁধা অবস্থায় বসা দুই নাবালিকা!

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রকাশ্য দিবালোকে বাইকের পিছনে হাত বাঁধা অবস্থায় দুই নাবালিকাকে বসিয়ে জোর করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু পুলিশের নজর এড়ানো সম্ভব হয়নি। এইভাবে দুই নাবালিকাকে নিয়ে যেতে দেখে, সন্দেহ হয় পাশ দিয়ে যাওয়া অপর এক বাইক আরোহীর। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই উদ্ধার হয় ওই দুই নাবালিকা। এরপর বাইক আরোহী এবং ওই দুই নাবালিকাকে তিলজলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল, তখন ঘড়ির কাটা বলছে ১১ টা বেজে গেছে অনেকক্ষণ। এমন সময় ব্যস্ত রাস্তায় প্রগতি ময়দানের দিক থেকে একটি বাইক রুবির দিকে যাচ্ছিল। বাইক চালকের পিছনে বসেছিল দুই নাবালিকা। ওই বাইকের পাশ দিয়ে অপর এক বাইক যাওয়ার সময় সেই বাইকের চালক দেখেন, দুই নাবালিকার হাত দড়ি দিয়ে বাঁধা। যা দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি দেরি না করে, পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগেই, কিছুটা এগিয়ে বাইপাসের উপর কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের বিষয়টি জানান।

এরপরই সঙ্গে সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশ তিলজলা ট্রাফিক গার্ডে খবর দেয়। ট্রাফিক গার্ডের ওসি তৎক্ষণাৎ নির্দেশ দেন বাইকটিকে যেন আটকানো হয়। কথা মতোই এগোয় কাজ। ততক্ষণে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছন তিলজলা ট্রাফিক গার্ডের ওসি সৌভিক চক্রবর্তী। সন্দেহভাজন বাইক আরোহীকে ওই দুই নাবালিকা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাঁরই দুই মেয়ে ওই দুই নাবালিকা।

কিন্তু ওই দুই নাবালিকাকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তারা জানায় যে, তাদের বাবা মারা গিয়েছেন। এই লোকটি জোর করে তাদের নিয়ে যাচ্ছে। এরপরই তারা কাঁদতে শুরু করে। তারা জানায়, পুলিশ যেন তাদের দিদিমার কাছে দু’জনকে রেখে আসে। এরপরই সন্দেহ তীব্রতর হয়। খবর দেওয়া হয় তিলজলা থানায়।

এদিকে, প্রাথমিকভাবে ওই দুই নাবালিকার বক্তব্য শুনে পুলিশের অনুমান, তাদের মায়ের সঙ্গে অভিযুক্তের পূর্ব পরিচয়। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুই নাবালিকার বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।