হঠাৎই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা অর্পিতার! নেপথ্যে কারণ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অর্পিতা ঘোষ। মূলত দলের নির্দেশেই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে খবর সূত্রের। বুধবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুকে ইস্তফা পত্র জমা দেন তিনি। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ইস্তফা স্বাভাবিক ভাবেই জল্পনা উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

বুধবার সকালেই দিল্লী গিয়েছিলেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষ। এদিন সংসদে গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দেন তিনি। এরপর এদিন রাতের বিমানেই কলকাতা ফেরেন অর্পিতা। কিন্তু এ নিয়ে তৃণমূল বা প্রাক্তন সাংসদ, কারোরই প্রতিক্রিয়া মেলেনি। যদিও সূত্রের খবর, আগামীদিনে তৃনমূল কংগ্রেসের রাজ্যের সাংগঠনিক কাজে তাকে ব্যবহার করা হবে।

রাজ্যসভায় প্রশ্ন উত্তর পর্ব থেকে শুরু করে বিরোধীদের কোণঠাসা করা সব বিষয়েই নিজের দক্ষতার ছাপ রেখেছেন অর্পিতা। এমনকি বাদল অধিবেশনে ওয়েলে নেমে প্রতিবাদের জেরে তাঁকে সাসপেন্ডও করেছিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু। এহেন সক্রিয় রাজনীতিবিদের হটাৎ করেই ইস্তফা দেওয়ায় কার্যত জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

২০১৯ সালে লোকসভার ভোটে বালুরঘাট আসন থেকে দাঁড়িয়েছিলেন অর্পিতা ঘোষ। কিন্তু তিনি পরাজিত হলে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এবার সর্বভারতীয় রাজনীতিতে দায়িত্ব পেতে পারেন অর্পিতা। অন্যদিকে জাতীয় স্তরে নিজেদের গুরুত্ব বাড়াতে চাইছে তৃণমূল। তাই অর্পিতা ঘোষকে দেওয়া হতে পারে বাড়তি দায়িত্ব। তাই তার ছেড়ে যাওয়া আসনে সর্বভারতীয় স্তরের কোনও নেতাকে রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে।

এদিকে, বুধবারই রাজ্যসভায় মানস ভুইঞাঁর আসনে সুস্মিতা দেবকে পাঠিয়েছে তৃণমূল। আজ প্রথম বিধানসভায় আসেন সুস্মিতা। বাংলা থেকে রাজ্যসভায় যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগে অসম ও ত্রিপুরায় রাজনীতি করলেও বাংলায় করেননি। এবার মুখ্যমন্ত্রী সেই সুযোগ করে দিয়েছেন। তবে রাজ্যসভায় আরও একটি পদ খালি হওয়ায় সেই শূন্য জায়গায় তৃণমূল কাকে পাঠায় সেটাই এখন দেখার।