মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২

'যা ব্যবস্থা নেওয়ার বোর্ড নেবে'! কোহলি বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

০৯:১৩ পিএম, ডিসেম্বর ১৬, ২০২১

'যা ব্যবস্থা নেওয়ার বোর্ড নেবে'! কোহলি বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

গতকালই প্রেস কনফারেন্সে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বিসিসিআই-এর বিরুদ্ধে এমন সব বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন যা নিয়ে বোর্ডের অন্দরমহলে চলছে চাপানউতোর। এই বিতর্ক নিয়ে কাল দিনভর চুপ ছিলেন বোর্ডের কর্তারা। বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলিও মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন। অবশেষে আজ মুখ খুললেন মহারাজ। জানালেন, বোর্ড বিষয়টি দেখবে। যা ব্যবস্থা নেওয়ার বোর্ডই নেবে।

বিতর্কের শুরু দিন কয়েক আগে। প্রাক্তন ওয়ানডে ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির হাত থেকে নেতৃত্বের ভার তুলে দেওয়া হয় রোহিত শর্মার হাতে। তারপতই ক্ষেপে ওঠেন বিরাটানুরাগীরা। সে সময় বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি দাবি জানিয়েছিলেন, "বিরাটকে টি-২০ অধিনায়কত্ব না ছাড়ার বিষয়ে অনুরোধ করেছিল বিসিসিআই। কিন্তু তিনি তা শোনেননি। আর সেক্ষেত্রে নির্বাচকরা সাদা বলের ক্রিকেটে ভিন্ন অধিনায়ক রাখতে চায়নি। তাই টি-২০ অধিনায়ক রোহিত শর্মার হাতেই ওয়ানডে ক্যাপ্টেন্সিও তুলে দেওয়া হয়েছে।"

এদিকে এই প্রসঙ্গে বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে বিরাট জানিয়েছেন, বোর্ডের তরফে টি-২০ ক্যাপ্টেন্সি না ছাড়ার জন্য তাঁকে কোনও অনুরোধ করা হয়নি। এমনকি ওয়ানডে নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়ার মাত্র দেড় ঘন্টা আগে তিনি জানতে পারেন যে তাঁকে ছাঁটাই করা হচ্ছে। বিরাট দাবি করেন, টি-২০ দলের নেতৃত্ব ছাড়ার আগে বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন। সেটা নিয়ে কারও মনে কোনও সংশয় ছিল না। তিনি এও বলেছিলেন যে টেস্ট ও একদিনের দলকে নেতৃত্ব দিতে চান। কিন্তু এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট দল ঘোষণার মাত্র ৯০ মিনিট আগে বিরাট জানতে পারেন যে, ওয়ানডে ফর্ম্যাটে আর অধিনায়ক থাকছেন না। তার আগে বোর্ডের তরফে তাঁর সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগই করা হয়নি।

এই প্রসঙ্গে গতকাল দিনভর চুপ থাকার পর আজ, বৃহস্পতিবার, সকাল থেকেই সৌরভের বেহালার বাড়ির সামনে ভিড় জমে সংবাদমাধ্যমের। ঠিক দুপুর ২টো নাগাদ যখন মহারাজ বাড়ি থেকে বেরোন, সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পিছু ধাওয়া করে সংবাদমাধ্যম। প্রথমে যদিও সৌরভ এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। পরে তিনি বলেন, “এটি খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আমি কোনও মন্তব্য করব না। বোর্ড যা ব্যবস্থা নেওয়ার সঠিক সময়েই নেবে। বিসিসিআই পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করবে।" এছাড়া আর কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।