মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২

দেশে পেরোলো ১০০ কোটি টিকাকরণের গণ্ডি! 'মোদির মতো নেতা আছেন বলেই সম্ভব', দাবি দিলীপের

০২:৩৯ পিএম, অক্টোবর ২১, ২০২১

দেশে পেরোলো ১০০ কোটি টিকাকরণের গণ্ডি! 'মোদির মতো নেতা আছেন বলেই সম্ভব', দাবি দিলীপের

করোনাকালীন আবহে সারা দেশে ১০০ কোটি টিকাকরণের গণ্ডি পার করল ভারত। বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে ৯ মাসের মধ্যে এই নজির গড়ল ভারত। আর এই প্রসঙ্গেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসায় মাতলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, দেশে নরেন্দ্র মোদি রয়েছেন বলেই এত সংখ্যক টিকাকরণ সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে এসে দিলীপ ঘোষের দাবি, "এই ঘটনা নিঃসন্দেহে আমাদের কাছে গর্বের। মেডিক্যাল সায়েন্স হোক বা অন্য কোনও দিকেই হোক, ভারতকে পিছিয়ে থাকা দেশ হিসেবে মনে করা হয়। অথচ, সেই দেশই এখন বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। অন্যান্য দেশে যখন একটা ভ্যাকসিন হচ্ছে, সেখানে আমাদের দেশে দুটো করে ভ্যাকসিন হচ্ছে। দেশের একশো কোটি লোককে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও পঞ্চাশটা গরিব দেশের মানুষকে মানবতার খাতিরে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ যারা মেডিক্যাল সায়েন্সে অনেক উন্নতি করেছে তারাও পিছিয়ে গিয়েছে।"

এরপরই প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, "নরেন্দ্র মোদির মতো নেতা আজকে দেশে রয়েছেন বলেই এটা সম্ভব হচ্ছে।" পাশাপাশি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য কর্মী, ডাক্তার সহ যারা রিসার্চ করছেন সেই সমস্ত মানুষও কৃতিত্বের প্রাপ্য৷ তাই তাঁদের সবাইকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন দিলীপ। তবে মোদি সরকারের প্রশংসা করলেও, ভ্যাকসিন ইস্যু নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণও করেন তিনি। তাঁর কথায়, "ভ্যাকসিন নিয়ে সারা দেশের মানুষ খুশি। দেশের অন্যান্য রাজ্যেও গেলাম। দিল্লিতে নিজে ভ্যাকসিন নিলাম। কোথাও কোনও ঝামেলা নেই। কিন্তু এই রাজ্যে কোনও সিস্টেম নেই। ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে মানুষকে লাঠির আঘাত খেতে হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। এর চেয়ে দুর্ভাগ্যের কিছু নেই।"

এখানেই শেষ নয়। রাজ্যে ভ্যাকসিনের আকাল নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, রাজনীতি করে ভ্যাকসিনের অভাব রয়েছে বলে অজুহাত দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। দিলীপের কথায়, "দেশে যখন ১০০ কোটি টিকাকরণ হয়ে গেল তখনও রাজ্য সরকার বলছে, কেন্দ্র ভ্যাকসিন দিচ্ছে না। এর পিছনে কোনও যুক্তি নেই। সবই আসলে রাজনীতি। সারা দেশে একশো কোটি মানুষ যেখানে ভ্যাকসিন পেয়েছেন, সেখানে পশ্চিমবঙ্গে কে পাচ্ছেন আর কে পাচ্ছেন না, তা বোঝা যাচ্ছে না।"