পিছোতে পারে দিনক্ষণ! সেপ্টেম্বরে আশা নেই উপনির্বাচনের

পিছোতে পারে দিনক্ষণ! সেপ্টেম্বরে আশা নেই উপনির্বাচনের
পিছোতে পারে দিনক্ষণ! সেপ্টেম্বরে আশা নেই উপনির্বাচনের

সেপ্টেম্বরেই উপনির্বাচনের আদর্শ সময় জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তবে সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না উপনির্বাচন। এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। জানা গিয়েছে, সম্ভবত পুজোর পরেই রাজ্যের দুটি আসনে বিধানসভা নির্বাচন এবং বাকি পাঁচটি আসনে উপ নির্বাচন হতে পারে।

শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক বসার কথা ছিল। তবে অনিবার্যকারণ বশত সেই বৈঠক বাতিল হয়। বৈঠক ফের কবে হবে তা নিয়েও কোনো খবর নেই আপাতত। তাই চলতি মাসে কোনোভাবেই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। সে ক্ষেত্রে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝিতে দুর্গাপুজো থাকায় লক্ষ্মী পুজোর পরেই নির্বাচনের দিন চূড়ান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, যদি লক্ষ্মী পুজোর পরেই ভোট করাতে হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে ১০সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভোটের ঘোষণা করতে হবে। কারণ কমপক্ষে ভোটের ২৪ দিন আগে আন্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করতে হয়। তাই অক্টোবরের প্রথম দিকে ভোট করাতে হলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি দিন ঘোষণা করতে হবে কমিশনকে।

কিন্তু প্রথমদিকে ভোট না করানোর ক্ষেত্রেও অনেক বাধা রয়েছে। কারণ অক্টোবরের শুরু থেকেই ছুটির মরশুম শুরু হচ্ছে । এরমধ্যে ১০ অক্টোবর থেকে পুজোর ছুটি পড়ে যাচ্ছে যা চলবে ২২অক্টোবর পর্যন্ত। তোমারে ভোট করাতে হলে দুই থেকে তিন তারিখের মধ্যেই ভোট করাতে হবে। সেই সময় তাড়াহুড়ো না করে মনে করা হচ্ছে লক্ষ্মীপূজো ও কালীপূজোর মাঝামাঝি সময় ভোট করাতে পারে কমিশন।

এদিকে, পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন এবং দুটি কেন্দ্রে সাধারণ নির্বাচন কবে করানো যায় তা নিয়ে বুধবারই রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে বসে ছিল নির্বাচন কমিশন। এই বৈঠকেই রাজ্যে আপাতত ভোট করানো যায় বলে খানিকটা সম্মতি দিয়েছে কমিশন। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্য সচিব। সেখানে প্রায় ঘণ্টাখানেক চলে আলোচনা। এর পরেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে মুখ্যসচিব একটি চিঠি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে জানা গিয়েছে এই অবস্থায় রাজ্যের সমস্ত যুক্তি শোনার পর করোনা পরিস্থিতি নিয়ে খানিকটা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। তারা এই অবস্থায় রাজ্য কে সব রকম ভাবে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গিয়েছে ভোটের প্রস্তুতি দেখতে রাজ্যে আসতে পারেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সুদীপ জৈন।