ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলবে, নিয়োগ নয়! উচ্চ-প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া নিয়ে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলবে, নিয়োগ নয়! উচ্চ-প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া নিয়ে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের
ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলবে, নিয়োগ নয়! উচ্চ-প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া নিয়ে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ উচ্চ প্রাথমিকে চাকরিপ্রার্থীকে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল যে, উচ্চ-প্রাথমিকে চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চললেও, কাউকে নিয়োগ করা যাবে না। চলতি মাসের ১৬ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ১৯ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে কাউন্সেলিং। করোনাবিধি মেনে, একাধিক ব্যাচের মাধ্যমে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলবে ৪ আগস্ট পর্যন্ত নেওয়া হবে।

এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আদালতের অনুমতি ছাড়া উচ্চ-প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। নিয়োগপত্র দেওয়া নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও বলা হয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শেষে তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত করতে হবে। সেই তথ্যভাণ্ডারে থাকবে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা-সহ লিখিত ও ইন্টারভিউ পরীক্ষার নম্বর।

কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁরা কমিশনের কাছে আবেদন করবেন, সেই আবেদন নিয়ে কমিশন কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা-ও জানাতে হবে আদালতকে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁরা অনিয়মের অভিযোগে কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁদের শুনানি করতে হবে। একটি তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত করতে হবে কমিশনকে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অনিয়মের অভিযোগ করতে পারবেন প্রার্থীরা। উল্লেখ্য, আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১২ সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে হাইকোর্টে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ জুন স্কুল সার্ভিস কমিশন ১৪ হাজারেরও বেশি পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ করেছিল। তবে সেই তালিকা প্রকাশ নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়। তার ভিত্তিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রথমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে আবারও প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর-সহ তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। এরপর গত ৯ তারিখ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি। তবে, চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত সপ্তাহে সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। আজ সেই মামলার শুনানিতেই উপরিউক্ত নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।