২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মহানন্দা নদী থেকে শিশুকন্যা ও মহিলার দেহ উদ্ধার! তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মহানন্দা নদী থেকে শিশুকন্যা ও মহিলার দেহ উদ্ধার! তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মহানন্দা নদী থেকে শিশুকন্যা ও মহিলার দেহ উদ্ধার! তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহঃ মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে শিশুকন্যা ও এক মহিলার দেহ উদ্ধার হল মালদহে। মালদহের চাঁচলের আশাপুর মহানন্দা নদী তীরবর্তী এলাকায় এক মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়েই, ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় চাঁচল থানার পুলিশ। নদী থেকে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে, ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই নিয়ে পরপর দুটি মৃতদেহ উদ্ধারের জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে গতকাল মহানন্দাপুরের রাটট গ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে ভেসে আসতে দেখা যায় একটি শিশু কন্যার দেহ। স্থানীয়রা খবর দেয় চাঁচল থানায়। তবে, সেই মুহূর্তে মৃত শিশুর কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। এরপর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই চাঁচোলের আশাপুর মহানন্দা নদীর ঘাট থেকে শিশু কন্যার মা এর মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম প্রিয়া পারভীন (২৩) ও মৃত শিশুকন্যাটির নাম সেমি পারভীন, বয়স ৩ বছর। মৃতার পরিবার সূত্রে খবর, বছর ৪ আগে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার ব্লকের গরাহার গ্রামের মোহাম্মদ সামিউল্লাহ রাজের নামে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পণের জন্য ওই মৃত গৃহবধূর ওপর অত্যাচার চালাত তাঁর স্বামী। সেই অত্যাচারের জেরে গত একমাস আগে ৬ লক্ষ টাকা পণ দেওয়া হয় মৃত গৃহবধূর পরিবার থেকে। তারপরেও কেন নাতনি এবং তাঁর তিন বছরের শিশুকন্যাকে খুন করা হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন মৃত প্রিয়া পারভীনের দাদু।

এদিকে, ইটাহার থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, মৃত মহিলার স্বামী মোহাম্মদ সামিউল্লাহ রাজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে, গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে দুই জেলার পুলিশ।