রাজ্যে জারি থাকা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়, কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

রাজ্যে জারি থাকা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়, কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী?
রাজ্যে জারি থাকা বিধিনিষেধে কিছুটা ছাড়, কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ করোনা সংক্রমণের মোকাবিলায় রাজ্যে জারি রয়েছে একাধিক বিধিনিষেধ। ১৬ জুন পর্যন্ত এই বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সেই বিধিনিষেধেই এবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড়ের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে সেই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

বর্তমানে এই বিধিনিষেধে সকাল ৭ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত খোলা থাকছে দোকান, বাজার। আবার বেলা ১২ টা থেকে ৩ টে পর্যন্ত শাড়ি এবং গয়নার দোকান খোলা থাকার কথা। পাশাপাশি মিষ্টির দোকান খোলা এবং বন্ধের ক্ষেত্রেও বেঁধে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট সময়সীমা। তবে পাটশিল্প এবং নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছিল। খুচরো দোকান খোলা রাখতে দেওয়া হোক, এই আবেদনও জানানো হয়েছিল ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। এবার সেই অনুরোধের কথা বিবেচনা করেই, বিধিনিষেধের কিছু ক্ষেত্রে ছাড়ের কথা ঘোষণা করা হল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।

এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, খুচরো দোকান এবার থেকে বেলা ১২টা-৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে। ১০ শতাংশ কর্মী নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রেও কাজ আরম্ভ করা যেতে পারে। এর পাশাপাশি টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে এমন শ্রমিককে নিয়ে নির্মাণ কাজ করা যেতে পারে। তবে, সরকারের পক্ষ থেকে এও স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে যে, সব ক্ষেত্রেই সামাজিক দুরত্ববিধি মানা বাধ্যতামূলক।

উল্লেখ্য, রাজ্যে জারি হওয়া ‘প্রায় লকডাউন’-এর কারণে বন্ধ রয়েছে ট্রেন, বাস এবং মেট্রো পরিষেবা। আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ জারি থাকবে রাজ্যে, একথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে আরও একবার সেকথা উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে।

মুখ্যমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেছেন যে, বিধিনিষেধ জারির ফলে, করোনার সংক্রমণের হাত থেকে মুক্তি পাবেন সাধারণ মানুষ খুব শীঘ্রই। এর পাশাপাশি রাজ্যে দ্রুত গতিতে চলছে টিকাকরণের কাজ, সেকথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।