ওঁ যে ধরনের মজার কথা বলতেন তা শিক্ষনীয় ছিল! সুব্রতর স্মৃতিচারণায় দিলীপ

ওঁ যে ধরনের মজার কথা বলতেন তা শিক্ষনীয় ছিল! সুব্রতর স্মৃতিচারণায় দিলীপ
ওঁ যে ধরনের মজার কথা বলতেন তা শিক্ষনীয় ছিল! সুব্রতর স্মৃতিচারণায় দিলীপ

রাজনীতির ময়দানে কঠোর প্রতিপক্ষ হলেও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আবেগে ভাসলেন রাজ্য বিজেপি প্রাক্তন সভাপতি তথা সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকবিহ্বল হয়ে পড়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। টুইট করেছেন শুভেন্দুও।

দিলীপ ঘোষ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর মৃত্যুতে স্মৃতি চারণা করে বলেন, “বিধান সভায় যাওয়ার পর ওঁর সামনা সামনি হয়েছি। ২০১৬ সাল থেকে তিন বছর ছিলাম। অনেকবার দেখা হয়েছে বিএ কমিটিতে বসে এক সঙ্গে খাওয়া দাওয়া হত। এত বছর বয়সে ওঁ মিষ্টি খেতেন খুব। বিধান সভার মধ্যে বেঞ্চে বসে অনেক্ষণ আলোচনা হয়েছে। ওঁ যে ধরনের মজার মজার কথা বলতেন, সোজাসাপটা বলতেন, এটা যেমন আনন্দদায়ক ছিল, মজারও ছিল তেমনই শিক্ষারও ব্যাপার ছিল। নিঃসন্দেহে এরকম ব্যক্তি চলে যাওয়া রাজনীতিতে বড়ো একটা গ্যাপ তৈরি হল।”

অধীর চৌধুরী লেখেন, “সুব্রত মুখার্জি, আমাদের প্রিয় সুব্রত দা যার সাথে গত ১ লা নভেম্বরেও আমি কলকাতার পিজি হাসপাতালে দেখা করে এলাম, গল্প করলাম, সে আর নেই ভাবতে পারছি না। বাংলার কংগ্রেস রাজনীতির ত্রিমূর্তি ― প্রিয়, সুব্রত, সোমেন এক এক করে চলে গেল। একজন outstanding legislator, একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন হাসি খুশি, খোলামেলা অথচ বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের নাম সুব্রত মুখার্জি। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার সমিবেদনা রইলো”।

একসময়ে একই দলের সৈনিক আজ প্রতিপক্ষ। সেই শুভেন্দু অধিকারী শোক জ্ঞাপন করে টুইট করে জানান, “প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ক্যাবিনেট মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জির মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, অনুগামী ও সমর্থকদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। তাঁর আত্মা চির শান্তি লাভ করুক। ওম শান্তি”।