প্রচার নিয়ে দিলীপ ঘোষ নিলেন এই সিদ্ধান্ত! প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ঠিক কী বললেন?

প্রচার নিয়ে দিলীপ ঘোষ নিলেন এই সিদ্ধান্ত! প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ঠিক কী বললেন?
প্রচার নিয়ে দিলীপ ঘোষ নিলেন এই সিদ্ধান্ত! প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ঠিক কী বললেন?

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্য বিজেপিতে আচমকাই বড় পরিবর্তন ঘটেছে সম্প্রতি। রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। তাঁকে পাঠানো হয়েছে দলের জাতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্বে। আর তাঁর জায়গায় বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি হয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদার।

কাজেই এই মুহূর্তে তিনি সদ্য প্রাক্তন। এদিকে, মঙ্গলবারই কলকাতায় এসেছেন নবনিযুক্ত রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির সদর দফতরে তাঁকে পদ্মফুল, মালা এবং পেন সহযোগে সংবর্ধনা জানিয়েছেন খোদ বিদায়ী রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এতো কিছুর মধ্যেও কিন্তু প্রচারের আলো থেকে সরে যাননি দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্রতিদিনের জীবনযাত্রাতেও কোনও পরিবর্তন আসেনি। প্রত্যেক সকালের মতো এদিন সকালেও তাঁকে ইকোপার্কে শরীর চর্চায় ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন। দিলেন প্রশ্নের জবাবও। জানালেন তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও।

বুধবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের সময়ে বিজেপির বিদায়ী রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, নতুন বিজেপি প্রদেশ সভাপতির সংবর্ধনা সভায় অনেকেই অনুপস্থিত ছিলেন। আবার অনেকে আসতে পারেননি। তিনি এও জানিয়েছেন যে, যদিও এই সংবর্ধনা সভায় সবার আসার কথাও ছিল না। তাঁর নিজেরও অন্য কাজ ছিল। তিনি জানিয়েছেন, দলের পক্ষ থেকে ২০ দিনের কার্যক্রম চলছে, সেই কাজেই সবাই ব্যস্ত রয়েছেন। যেহেতু নতুন সভাপতি ঘোষণা হয়েছে তাই কাজের ফাঁকে সময় বের করে সংবর্ধনা দেওয়া হল।

তাহলে বাংলায় বিজেপির বিদায়ী রাজ্য সভাপতির কী ভূমিকা হতে চলেছে? কান পাতলে এই প্রশ্নই এখন শোনা যাচ্ছে বাংলার রাজনীতির আনাচেকানাচে। বুধবার ইকোপার্কে দাঁড়িয়ে সেই প্রশ্নেরই স্পষ্ট জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বললেন, ‘আমি অ্যাভেলেবল আছি।’

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন যে, ‘রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্তরা যেভাবে আমাকে কাজে লাগাবে, আমি থাকব। একইভাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেভাবে কাজ করব।’ এদিন বতিনি আরও বলেন যে, ‘এবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে বেশি করে সময় দিতে চাই। প্রদেশ সভাপতির দায়িত্বে থাকার সময় সারা রাজ্য ঘুরতে হত, তাই মেদিনীপুরে বেশি সময় দেওয়া হত না। সেখানে বন্যা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ত্রাণের কাজ শুরু করেছি।’

নতুন রাজ্য সভাপতি হিসাবে সুকান্ত মজুমদারের নাম তিনিই দলের কাছে সুপারিশ করেছিলেন। তবে, ভবানী পুরে উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের প্রচারে তাঁর থাকার প্রসঙ্গে এদিন তিনি জানিয়েছেন যে, ‘আপাতত কয়েকদিন থাকছি না। তবে, শেষ দু’তিন দিন ভবানীপুরের প্রচারে থাকব।’

এছাড়াও প্রদেশের রাজ্য কমিটিতে কবে বদল আসবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির বিদায়ী রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন যে, ‘এটা আমার পক্ষে বলা মুশকিল। নতুন সভাপতি এসেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করবেন। আশা করি খুব দ্রুত হয়ে যাবে।’