কোভিডবিধি মেনেই পুজো, এবারও প্রত্যেক পুজো কমিটিকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য

কোভিডবিধি মেনেই পুজো, এবারও প্রত্যেক পুজো কমিটিকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য
কোভিডবিধি মেনেই পুজো, এবারও প্রত্যেক পুজো কমিটিকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ পুজোর আর বেশিদিন বাকি নেই। হাতে সময় মাত্র একমাস। প্রস্তুতি তুঙ্গে। করোনা আতঙ্কের পাশাপাশি দুর্গা পুজোর প্রস্তুতিও জোরকদমে চলছে। মায়ের আবাহনে ব্যস্ত বাংলা। তাই পুজোর আগে কলকাতার পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে বৈঠকে বসল রাজ্য প্রশাসন।

করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে, কী কী বিধি বা নিয়ম মেনে সুস্থভাবে পুজো অনুষ্ঠিত করতে হবে তা আজকের বৈঠকে জানিয়ে দিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। এদিন বৈঠকে মুখ্যসচিব জানান যে, ‘রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবু পুজো কমিটিগুলিকে কোভিডবিধি মানতেই হবে। বিধি মেনেই পুজোর আয়োজন করতে হবে।’

এদিন মুখ্যসচিব বলেন, ‘কোভিডের জন্য অনেক পুজো কমিটি স্পনসর পায়নি। এবছরও কোভিড চলছে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেটাই আমি পড়ে শোনাচ্ছি। গতবছরে যেসব সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল এবারেও সেগুলো বজায় থাকছে।’

আজকের বৈঠকে তিনি আরও জানিয়েছেন যে, প্রতিবারের মতোই রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে এবারও দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা। বিদ্যুতের বিলে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হল এদিন। মকুব করা হয়েছে পুজোর লাইসেন্স ফি-ও।

মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে মহা ধুমধাম সহকারে পুজো করা সম্ভব হয়নি। যা প্রত্যেক বছর হয়ে থাকে। পুজোর জৌলুস খানিকটা ফিকে হয়েছিল, করোনার প্রভাবে। তবে, ক্লাবগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছিল রাজ্য সরকার। প্রত্যেক পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া হয়েছিল ৫০ হাজার টাকা সাহায্য। এবারও সেই আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।

এদিনের নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের বৈঠকে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশাসনিক কর্তারা। ছিলেন কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তারাও। তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গতবারের মতো এবছরও পুজোর অনুমতি চাওয়ার জন্য সিঙ্গল উইন্ডো পরিষেবা চালু থাকছে। যার ফলে বিশেষ সুবিধা পাবে পুজো কমিটিগুলি।