দীপাবলির উৎসবের আবহে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দুই প্রান্ত!

দীপাবলির উৎসবের আবহে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দুই প্রান্ত!
দীপাবলির উৎসবের আবহে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দুই প্রান্ত! / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আলোর উৎসব দীপাবলি। আজ সব অশুভ শক্তির বিনাশের সঙ্গে সঙ্গে শুভশক্তির সূচনা হবে। চারিদিক সেজে উঠবে আলোর মালায়। আকাশে ফুটে উঠবে আতসবাজির আলপনা।

এদিকে, এই উৎসবের আবহে পরপর দু’বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের দুই প্রান্ত। বৃহস্পতিবার সকাপে প্রথমে অসম এবং তারপর বিকেলের দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হল গুজরাটে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এদিন বিকেলে কম্পন অনুভূত হয়েছে গুজরাটের দ্বারকায়। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫। তবে, এই ভূমিকম্পের ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির রিপোর্ট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ বিকেলে ৩ টে ১৫ মিনিট নাগাদ এই কম্পন অনুভূত হয়। এর উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার। এর আগে বৃহস্পতিবারই সকালে ভূমিকম্প হয় অসমের তেজপুরে। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৭। সকাল ১০ টা ১৯ মিনিট নাগাদ এই কম্পন অনুভব করেন এলাকার বাসিন্দারা। এই কম্পনের উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য, গুজরাট বরাবরি ভূমিকম্পপ্রবণ। ২০০১ সালের গুজরাটের ভূমিকম্পের ভয়াবহতা এখনও সকলের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি। গুজরাটের ভুজের সেই ভূমিকম্প দেশের বিধ্বংসী ভূমিকম্পগুলির মধ্যে অন্যতম।  ২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের ৫২ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে সকাল পৌনে ৯ টা নাগাদ সেই ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎস স্থল ছিল গুজরাটের কচ্ছ জেলার ভচাউ তালুকের চৌবারি গ্রাম থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। সেই কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৭। ওই ভূমিকম্পে ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। বহু মানুষ আহত হন। পাশাপাশি বহু বাড়ি একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

গত বছর থেকেই বারবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কম্পন অনুভূত হচ্ছে। যা নিয়ে চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা। যদিও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।