আলোর উৎসব আর উদযাপন করা হল না, বাজি কিনে স্কুটারে ফেরার পথে তীব্র বিস্ফোরণে মৃত্যু বাবা ও ছেলের!

আলোর উৎসব আর উদযাপন করা হল না, বাজি কিনে স্কুটারে ফেরার পথে তীব্র বিস্ফোরণে মৃত্যু বাবা ও ছেলের!
আলোর উৎসব আর উদযাপন করা হল না, বাজি কিনে স্কুটারে ফেরার পথে তীব্র বিস্ফোরণে মৃত্যু বাবা ও ছেলের!

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আলোর উৎসব আর উদযাপন করা হল না। তার আগেই অন্ধকার নেমে এল কালাইনেসানের পরিবারে। দীপাবলির আগেই নিভল কালাইনেসান এবং তাঁর ছোট্ট ছেলের জীবন দীপ। কী ঘটেছিল তাঁদের সঙ্গে?

আসলে ছোট্ট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বাজি কিনে স্কুটারে করে ফিরছিলেন পদুচেরির  আরিয়ানকুপ্পমের বাসিন্দা বছর ৩২-এর কালাইনেসান এবং সঙ্গে ছিল তাঁর সাত বছরের ছেলে প্রদীপ। আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটে যায় বাজির মধ্যে। তার জেরে ঘতা প্রবল বিস্ফোরণের আগুনে ঝলসে মারা যান বাবা অছেলে উভয়েই।

জানা গিয়েছে, বাবা ও ছেলে দু’জনেই বাজি কিনে ব্যাগে নিয়ে স্কুটারে বাড়ি ফিরছিলেন। ভিল্লুপূরম জেলার কোট্টাকুপম পূর্ব কোস্ট রোড ধরে কুনিমেদু গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন তাঁরা। একটি লরির সামনে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়ই স্কুটারের মধ্যেই ভয়ানক বিস্ফোরণ হয় বাজির। স্কুটারের সামনে বাজিগুলি রেখে সেটি ধরে সামনে দাঁড়িয়েছিল ছেলে। তখনই বিস্ফোরণ হয় বাজিতে। সারা দেশ যখন আলোর উৎসব পালনে ব্যস্ত, সেই সময় এমন মর্মান্তিক দুরঘতনা ঘটে। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে এমন ভয়ানক দৃশ্য। ইতিমধ্যেই এই দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আচমকাই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল স্কুটারটি। ঠিক পাশে থাকা আরেক স্কুটার আরোহীকেও ছিটকে যেতে দেখা যায়। বিস্ফোরণের এলাকা ঢেকে যায় ঘন ধোঁয়ায়। ব্যাগে থাকা বাজিতে ঘসা লেগেই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে জওহরলাল ইনস্টিটিউট অফ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি ওই স্কুটারটি ছারাও একটি লরি ও দুটি টু হুইলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার পরই, ঘটনাস্থলে যান ভিল্লুপুরমের জেলাশাসক ডিআইজি পাণ্ডিয়া। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তারা একটি মামলা রুজু করে, ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।