‘ফলক কেলেঙ্কারি কীসের!’ রবীন্দ্রমূর্তির ফলকে দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে তাঁর নাম থাকা নিয়ে মুখ খুললেন ফিরহাদ

‘ফলক কেলেঙ্কারি কীসের!’ রবীন্দ্রমূর্তির ফলকে দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে তাঁর নাম থাকা নিয়ে মুখ খুললেন ফিরহাদ
‘ফলক কেলেঙ্কারি কীসের!’ রবীন্দ্রমূর্তির ফলকে দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে তাঁর নাম থাকা নিয়ে মুখ খুললেন ফিরহাদ

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ শুধু কি জাল ভ্যাকসিন কাণ্ড! এর সঙ্গে যোগ হয়েছে তালতলায় রবীন্দ্রমূর্তির ফলকে দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে পুরসভার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের নাম। যা নিয়ে ইতমধ্যেই উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি।

এমনিতেই এই জাল টিকাকরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই নতুন উদ্যমে শাসকদলের বিরুদ্ধে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর দাবি, এই ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের তদন্ত করাতে হবে সিবিআইকে দিয়ে। আবার সিবিআই তদন্তের দাবির পাশাপাশি, এই কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের প্রধান ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তার উপর আবার এই ফলক কাণ্ড।

এবার এই পরিস্থিতিতে এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন, কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তিনি এদিন বললেন, ‘ফলক কেলেঙ্কারি কীসের! কে ফলক লাগিয়েছে জানি না। আমার নামে কত ফলক লাগানো আছে। সেগুলির ইজারা দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই।’

উল্লেখ্য, তালতলার ত্রিপুরা শঙ্করসেন শাস্ত্রী স্মৃতি গ্রন্থাগারের রবীন্দ্রমূর্তির ফলকে ফিরহাদের হাকিমের সঙ্গে জ্বলজ্বল করছিল ‘পুরসভার যুগ্মসচিব’ দেবাঞ্জন দেবের নাম। শুক্রবারই সেটি ভেঙে দেয় পুরসভা। পুরো বিষয়টির তদারকি করেন কো-অর্ডিনেটর ইন্দ্রাণী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ দাবি করেন, ‘কলকাতা পুরসভা ওই মূর্তিটি বসায়নি। অনুষ্ঠানও হয়নি। ফলকে যাঁদের নাম লেখা তাঁরা কেউ উন্মোচনের সময় ছিলেন না।’

এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই ফলক ভাঙা হয়েছে। শনিবার ফিরহাদ হাকিম জানান, ‘ফলক লাগানোর জন্য ওঁর কাছে কোনও ওয়ার্ক অর্ডার নেই। কে ফলক লাগাচ্ছে, কে ভাঙছে এটা আমার জানার কথা নয়। ফলক কেলেঙ্কারির কী আছে? কেন আপনারা খবর করলেন না আগে। যখন নীরব মোদীর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী বসে থাকেন সেটা কেলেঙ্কারি হয় না।’

ফিরহাদ হামিক আরও জানিয়েছেন, ‘সারা জীবন মানুষের কাজ করেছি গালাগালি খাওয়ার জন্য! বিরাট কেলেঙ্কারি হয়ে গেল! আমরা সেই অনুষ্ঠানে যাইওনি। আমাকে জিজ্ঞেস করে কি ফলক লাগিয়েছে?’ অন্যদিকে, দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, ‘সিট গঠন করা হয়েছে। দোষীরা শাস্তি পাবে। বাংলায় নিরপেক্ষ তদন্ত হয়। এটা বাংলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্যায় সহ্য করেন না।’