একবালপুরে তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ, চাঞ্চল্য এলাকায়

একবালপুরে তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ, চাঞ্চল্য এলাকায়
একবালপুরে তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ, চাঞ্চল্য এলাকায়

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ এক তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের পর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনাস্থল একবালপুরের এমএম আলি রোড। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। এটি হত্যা, না আত্মহত্যা—সে বিষয়ে এখনও সম্পূর্ণ অন্ধকারে পুলিশ।

বৃহ্স্পতিবার সকালে কাগজ কুড়োনোর সময় একটি বস্তা নজরে পড়ে বেশ কয়েকজনের। সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা বস্তাটি খুলতেই মেলে তরুণীর দেহ। স্বাভাবিকভাবেই এহেন ঘটনায় ভয় পেয়ে যান সকলে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় একবালপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে পাঠায় ময়নাতদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর গলায় মিলেছে আঘাতের চিহ্ন।

প্রাথমিক তদন্তের পরে জানা যায়, মৃতার নাম সাবা খাতুন। ওয়াটগঞ্জে দিদিমার কাছে থাকতেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরে রেশমা নামে এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন সাবা। সূত্রের খবর, রেশমা মাদক্তাসক্ত। বহু লোকের আনাগোনা ছিল তাঁর কাছে।গতকাল সন্ধ্যায় ওয়ারিশ লেনে রেশমার বাড়িতেই ছিল সাব্বা। কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ তাঁর মোবাইলে একটি কল আসে। তারপরেই সেখান থেকে বেড়িয়ে যায় সাব্বা। রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। এমনকি দিদিমার বাড়িতেও যায়নি। এমনকি তারপর থেকেই তাঁর মোবাইলও সুইচ অফ ছিল। এরপরই এদিন সকালে তাঁর বস্তাবন্দী দেহ মেলে এমএম আলি রোডে।

প্রশ্ন উঠেছে, হঠাৎ কেনই বা তাঁর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিল সাবা? নানা প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ অনুমান করেছিল যে অন্য কোথাও খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য বস্তায় ভরে সাবার দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছিল ওই এলাকায়। তবে উঠে আসছে অন্য সন্দেহ। তদন্তকারীদের কথায়, প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মঘাতী হয়েছে তরুণী। তবে কি আত্মহত্যার পর তরুণীর দেহ বস্তায় ভরে ফেলে দিয়ে যায় কেউ?

একই সঙ্গে ধর্ষণ বা গণধর্ষণ করে সাবাকে খুন করা হয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না এলে বোঝা যাবে না। ঘটনাটি নিয়ে একবালপুর থানা তদন্তও শুরু করেছে। লালবাজারের হোমিসাইড শাখাও এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছে। পুলিশ অবশ্য ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.