করোনা দ্বিতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরাও! কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন?

করোনা দ্বিতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরাও! কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন?
করোনা দ্বিতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরাও! কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন?

দেশে ইতিমধ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়ানক প্রভাব দেখা গিয়েছে। আর এই দ্বিতীয় ঢেউতে এবার শিশুরাও সংক্রামিত হচ্ছে। গতবছর যা বিশেষ শোনা যায়নি৷ এবছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকোপে সহজেই আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশুরা। বহু শিশুকে ভর্তি করতে হচ্ছে হাসপাতালে। শুধু তাই নয়! বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এলে তাতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হবে শিশুরাই।

কিন্তু এর মধ্যেই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অ্যাসিম্পটোম্যাটিক করোনার প্রকোপ। অর্থাৎ কোনও উপসর্গই থাকছে না৷ এই অ্যাসিম্পটোম্যাটিক বিষয়টি কী?‌ এক্ষেত্রে করোনার কোনও উপসর্গ থাকছে না। বা খুবই সামান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। আক্রান্তরা অজান্তেই ১৪ দিনে বহু মানুষকে সংক্রামিত করে ফেলছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে প্রি–সিম্পটোম্যাটিকদের প্রথম দিকে কোনও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না। পরের দিকে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি। সম্প্রতি ট্যুইটারের মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

কী কী উপসর্গ থাকলে বুঝবেন শিশুরা করোনা আক্রান্ত?‌

জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, স্বাদ, গন্ধ চলে যাওয়া, নিঃশ্বাসের কষ্ট, নাক দিয়ে মিউকাস পড়া, ক্লান্তি, গলায় ব্যথা, পেশিতে যন্ত্রণা।

করোনা আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ:

১. যাদের উপসর্গ নেই, বাড়িতে রেখেই হবে চিকিৎসা। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
২. যেসব শিশুর সামান্য উপসর্গ রয়েছে, যেমন গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি বা ডায়রিয়া- তাদের বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো টেস্ট করাতে হবে।
৩. যেসব শিশুর লিভার বা হার্ট বা অন্য সমস্যা রয়েছে, তাদের শুরু থেকেই বাড়িতে রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কড়া নজর রাখতে হবে তাদের ওপর।