পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গরুর গাড়ি নিয়ে প্রচার শান্তিপুরের তৃণমূল প্রার্থী অজয় দের

পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গরুর গাড়ি নিয়ে প্রচার শান্তিপুরের তৃণমূল প্রার্থী অজয় দের
পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গরুর গাড়ি নিয়ে প্রচার শান্তিপুরের তৃণমূল প্রার্থী অজয় দের / নিজস্ব ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ নদিয়াঃ মলয় দেঃ রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে ভোট যুদ্ধ। সম্পন্ন হয়েছে প্রথম দফা ও দ্বিতীয় দফার ভোট প্রক্রিয়া। পাশাপাশি আজ চলছে তৃতীয় দফার ভোট। মোট ৩১ আসনে আজ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। বাকি রইলো আর ৫ দফা ভোট। রাজ্যের শাসক দলে কে আধিপত্ত বিস্তার করবে তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিরোধ। রাজনৈতিক দলগুলি তাঁদের অবস্থান পাকাপক্ত করতে বহু আগে থেকেই আসরে নেমে পড়েছে। যুদ্ধ ক্ষেত্রে সমানভাবে লড়াই করে চলেছে প্রতিটি দল। আর এবার নির্বাচনেও শান্তিপুরে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন শান্তিপুরের ভূমিপুত্র অজয় দে। নির্বাচন তার কাছে নতুন কিছু নয়! প্রথমে কংগ্রেস তারপর তৃণমূল, সব মিলিয়ে বার সাতেক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরাজেয় শান্তিপুরের ভূমিপুত্র অজয় দে।

পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গরুর গাড়ি নিয়ে প্রচার শান্তিপুরের তৃণমূল প্রার্থী অজয় দের
পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গরুর গাড়ি নিয়ে প্রচার শান্তিপুরের তৃণমূল প্রার্থী অজয় দের / নিজস্ব ছবি

তবে ব্যতিক্রমী ছিল গত বিধানসভা ২০১৬। তৃণমূলের প্রতীক , দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, লোকলস্কর সবকিছু থাকা সত্ত্বেও পরাজয় ঘটেছিল হাঁটুর বয়সী বহিরাগত রাজ্য যুব কংগ্রেস সভাপতি অরিন্দম ভট্টাচার্যের কাছে। যদিও তার সমর্থকরা এ বিষয়ে বলেন, বিরোধী ভোটের একত্রীকরণের সমীকরণ কাজ করেছিল এর পেছনে। এবার আবারো ভূমিপুত্র অজয় দে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। পুরোনো নতুন বাম ডান বিজেপি সবটাই তার নখদর্পণে! পরিমার্জিত স্বল্পভাষী ব্যক্তিত্ব নিয়ে জল্পনা চলে রাজনৈতিক মহলে। সত্তরোর্ধ্ব প্রবীণ এই প্রার্থীর প্রচারে দেওয়াল লিখন এবং কর্মী বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে অন্য প্রতিপক্ষদের অনেক আগেই। আজ শান্তিপুর বাবলা পঞ্চায়েতের গলায় দড়ি বটতলা থেকে কুন্ডুপাড়ার মেঠো পথ ধরে কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো বা গরুর গাড়িতে চেপে প্রচার সারলেন তিনি।

অন্যদিকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, তার বিধানসভা কেন্দ্রের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে রাজ্যের প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপিকেই দেখছেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর অসংখ্য জীবনমুখী প্রকল্পে খুশি বিধানসভাবাসী। পেট্রোল-ডিজেল, রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিকারী, রেল, বিমান, কয়লাখনির মত লাভজনক সংস্থা বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে, কৃষক ও শ্রমিকদের কর্মহীন করে দেওয়া বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি বোঝে না, উগ্র ধর্মীয় বিষয়ে সুড়সুড়ি দিয়ে ভোট করাতে চাইছে ! মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.